advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

অবহেলার শিকার চীনের পিএলএ’র স্থল বাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
২৪ নভেম্বর ২০২১ ১০:৪৭ পিএম | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২১ ১০:৪৭ পিএম
অবহেলার শিকার চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি -পিএলএ’র স্থল বাহিনী। সংগৃহীত ছবি
advertisement

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) স্থল বাহিনীতে প্রায় ৯ লাখ ৭৫ হাজার সক্রিয়​সৈন্য রয়েছে। যারা বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাহিনী। সেই তুলনায় দেশটির নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নিয়োজিত বিশেষ বাহিনী বেশি সুবিধা ভোগ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন থেকে প্রকাশিত গত ৩ নভেম্বরের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সংখ্যার বিচারে বিশাল এবং ঐতিহাসিকভাবে স্থল বাহিনীর ব্যাপক সুনাম থাকলেও সেই তুলনায় তাদের আধুনিকায়ন একেবারে ধীর গতির। তবে বিপরীতে চিত্র দেশটির নৌ, বিমান, ও ক্ষেপানাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় নিযুক্ত বিশেষ বাহিনীতে। সংখ্যায় স্বল্প এবং নতুন বাহিনী হওয়া সত্ত্বেও তাদের আধুনিকায়ন সম্পন্ন হয়ে গেছে। অধিকন্তু তাদের জন্য নতুন নতুন সমরাস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে চীন।

পরীক্ষায় সফল হলে সেই অস্ত্রে তুলে দেওয়া হচ্ছে এসব বাহিনীর হাতে। অন্যদিকে সোভিয়েত আমলের পুরোনো অস্ত্র এখনো ব্যবহার করতে হচ্ছে স্থলবাহিনীকে। যা নিয়ে বাহিনীর অভ্যন্তরে ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। মার্কিন কংগ্রেসে উপস্থাপিত পেন্টাগনের ওই বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিএলএ’র অন্যান্য বাহিনীর মধ্যে স্থল বাহিনী আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে আছে।

এএনআই জানিয়েছে, চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের (সিএমসি) প্রধান এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং তার জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি ঘোষণা করতে গিয়ে জানিয়েছেন, পিএলএ’র স্থল ও সৈন্যবাহিনী পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বাহিনী। তাই এই বাহিনীর আধুনিকায়ন সময়সাপেক্ষ উল্লেখ করে শি জানান, আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে চীন তার সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন সম্পন্ন করবে, আর ২০৪৯ সাল নাগাদ চীনের সৈন্যবাহিনীকে বিশ্বমানের হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

এদিকে, সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাহিনী বড় হওয়ার ফলে আধুনিকায়নে সময় লাগলেও সেটা ২০৩৫ পর্যন্ত লেগে যাওয়াওটা চীনের সামরিক দুর্বলতাকে প্রকাশ করে। অথবা, বেইজিংয়ের যদি সেই সক্ষমতা থেকে থাকে তাহলে পিএলএ’র আধুনিকায়ন না করার অর্থ হলো চীন মনে করছে- তাদের আর ততটা গুরুত্ব নেই। অথবা তাদের ইচ্ছে করেই অবহেলা করা হচ্ছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে নব্বইয়ের দশকে বেইজিং ও তাইপেয়ে কাজ করা পিএলএ বিশেষজ্ঞ ডেনিস ব্লাস্কো বলেন, চীনের পদাতিক বাহিনীর অন্তত ২৫-৩০ শতাংশ সামরিক সরঞ্জাম সেকেলে। তাই সোভিয়েত যুগের সরঞ্জামের বিপরীতে আধুনিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপনে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হবে বেইজিংকে। কিন্তু এমন সমরাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রাখা বেইজিংয়ের প্রচেষ্টা একেবারেই বেমানান!

advertisement
advertisement