advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সাধারণের দুঃখ লাঘবের উপায় কী

খরচ কেবল বাড়ছেই

২৫ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২১ ১১:২১ পিএম
advertisement

করোনার আঘাতে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, অন্যদিকে আয় কমেছে। এতে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। অপেক্ষাকৃত সচ্ছল মানুষ এ বাড়তি ব্যয়ের জোগান দিতে পারলেও নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তের পক্ষে তা খুবই কঠিন।

এর মধ্যে নতুন করে কষ্ট বাড়িয়ে দিয়েছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব। এর পর একে একে বাস, লঞ্চ, পণ্য পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। কৃষকের সেচের খরচ, পণ্য উৎপাদন খরচসহ বাজারে জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়ছে। আগামী সময়ে বিদ্যুতের দামসহ আরও অনেক খরচ বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। সব দিক থেকে খরচ কেবল বাড়ছেই, কিন্তু মানুষের আয় বাড়ছে না। জীবনযাত্রার বাড়তি খরচগুলো যেন চেপে ধরছে চারপাশ থেকে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকিয়ে দিয়েছে অনেক আগেই। গত বছর করোনা পরিস্থিতিতে ছোট ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত মানুষের রোজগার কমে গিয়েছিল। এতে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ২০ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশে উঠেছে। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ খুব দ্রুত তাদের ক্রয়ক্ষমতা হারাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে টানা মূল্যস্ফীতির ধকল পোহাতে বাধ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। মূল্যস্ফীতি অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকায় মানুষের দৈনন্দিন ব্যয়ের আকার স্ফীত থেকে স্ফীততর হচ্ছে। এর ফলে নির্দিষ্ট আয় ও পেশার মানুষের কষ্ট ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বেশি।

অনেক পরিবার ভবিষ্যতের চিন্তা-ভাবনা ভুলে সঞ্চয়ের শেষ কড়িটি পর্যন্ত খরচ করতে বাধ্য হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে দেশের মানুষের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দ্রব্যমূল্যের চাপে হাবুডুবু খাওয়া দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষের জীবন থেকে দুর্ভোগের অপছায়া যেন সরতেই চাচ্ছে না। সরকার মূল্যস্ফীতির কারণগুলো খতিয়ে দেখে দ্রব্যমূল্য সহনশীল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে- এটাই কাম্য।

advertisement
advertisement