advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নাগরিক তথ্য সংগ্রহে হবে বিশেষ ডাটাবেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২১ ১১:১৭ পিএম
advertisement

নাগরিকদের সব তথ্য সংগ্রহে ডাটাবেজ তৈরি করতে যাচ্ছে পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এ ডাটাবেজটির নাম দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্ট্রার (এনপিআর)। এ লক্ষ্যে বর্তমানে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। গতকাল বৃহস্পতিবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘মহামারি চলাকালে ডাটাচালিত নীতি তৈরি : অভিজ্ঞতাকে এগিয়ে নেওয়া’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় তিনি এ তথ্য জানান।

শাহনাজ আরেফিন বলেন, এনপিআর নিয়ে আমরা কাজ করছি। এ জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়েছি। এনপিআর আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনেক প্রয়োজন। বাংলাদেশে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, উন্নয়ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অনেক। এ জন্য নানা জরিপ ও শুমারি পরিচালনা করে আসছে বিবিএস। ফলে সরকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারছে।

দেশ ও জাতির কল্যাণে বিবিএস কোয়ালিটিফুল ডাটা সার্ভ করবে উল্লেখ করে শাহনাজ আরেফিন আরও বলেন, সরকার কোয়ালিটিফুল ডাটা দিতে বদ্ধপরিকর। ডাটা নিয়ে গ্রামের মানুষের কথা বলতে চাই। আমরা চেষ্টা করছি, সঠিক ডাটা সরবারহ করতে। এটা শুরু হলো মাত্র। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সবার জন্য কোয়ালিটি ডাটা সরবরাহ করব।

জানা গেছে, এনপিআরে একজন নাগরিকের ৩৩ ধরনের তথ্য থাকবে। এর মধ্যে অন্যতম ব্যক্তির নাম, এনআইডি, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন, মোবাইল ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, জরুরি নম্বর, বাবা-মার নাম, স্ত্রী/স্বামীর নাম, বসতবাড়ি, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা, জন্মস্থান, জাতীয়তা, ধর্ম, রক্তের গ্রুপ, বর্তমান ঠিকানা, বাড়ির ধরন, পানির উৎস/স্যানিটেশন/আলোর উৎস, স্থায়ী ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, নাগরিকত্ব, সংক্রামক বা জিনগত রোগ আছে কিনা ইত্যাদি। এসব তথ্য ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশনও ব্যবহার করতে পারবে। কেউ মারা গেলেও তার তথ্য হাজার বছর সংরক্ষিত থাকবে।

বিবিএস মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খাতে অবদানের জন্য বিবিএস মানসম্মত ডাটা সাপোর্ট দিচ্ছে। সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় বিবিএসের ডাটা ব্যবহার হচ্ছে। বিবিএস টেলিফোন নিয়ে জরিপ করবে। মূলত করোনা সংকটের কারণেই এই ডাটা সংগ্রহ করা হবে। করোনাকালে কারা দরিদ্র হয়েছে তার তালিকা করা হবে।

সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য বলেন, অনেক সময় ডাটা সরবরাহে কারিগরি সমস্যা আছে। ডাটা সরবরাহে নানা সমস্যা দেখা যায়। সঠিক ডাটা সরবরাহে নানান দিক চিন্তাও করা হয়। রাজনীতিবিদের রাজনৈতিক বক্তব্য না মিললে সঠিক ডাটা আলোর মুখ দেখে না। সেমিনারে আরও সংযুক্ত ছিলেন সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান, সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

advertisement
advertisement