advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কক্সবাজারে বেড়েছে পর্যটক

সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোয় গুরুত্বারোপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২১ ০২:৩৪ এএম
সমুদ্রসৈকতের লাবনী পয়েন্টের চিত্র। সম্প্রতি তোলা ছবি ষ আমাদের সময়
advertisement

করোনা মহামারী কাটিয়ে উঠে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে। সমুদ্রসেকতসহ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়ায় বাড়ছে পর্যটকের আগমন, বাড়ছে রাজস্ব আয়। কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো এখন পর্যটকদের পদভারে মুখরিত। পর্যটনশিল্পের বিকাশে আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ছাড়াও চকরিয়ার ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধবিহার, বোটানিক্যাল গার্ডেন, মাথিনের কূপ, হিমছড়ি, আদিনাথ মন্দির, পাটুয়ারটেক, দরিয়ানগর, ইনানী পাথরের সৈকত, জালিয়ার দ্বীপসহ সব পর্যটন স্পট এখন পর্যটকদের পদভারে মুখরিত। প্রতিদিন আসছেন দেশি-

বিদেশি পর্যটক। সাড়ে চার শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউসে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কোনো কক্ষ খালি থাকছে না। সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে এসব হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউসের ৭০% রুম বুকিং থাকছে বলে জানিয়েছেন হোটেল-মোটেল মালিকরা।

ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে আসা নওশীন বলেন, পরিবার নিয়ে কক্সবাজার এসে খুব ভালো লাগছে। তবে আগের চেয়ে খাবারের দাম বেড়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ ওমর সুলতান বলেন, কক্সবাজার শহরে চার শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেস্টহাউস রয়েছে। সাড়ে ১১ মাসের লকডাউন আর করোনার কারণে সবার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। সৈকত খুলে দেওয়ার পর পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন। এখন আমাদের হোটেল মালিকরা আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা পর্যটকদের নানা সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছি।

হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, থার্টিফার্স্ট নাইটের জন্য এখন থেকে বেশকিছু গ্রুপ বুকিং দিচ্ছে বড় হোটেলগুলোয়। এখন যেভাবে পর্যটক আসছে সে ধারা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট ভালোভাবে উদযাপন করতে পারলে আমরা অনেকটা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারব।

টুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এসএম কিবরিয়া বলেন, টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। করোনার কারণে ট্যুর অপারেটররা বেকার হয়ে পড়েছিলেন। এখন আস্তে আস্তে কাজ শুরু হচ্ছে। স্পটগুলোয় যাতায়াতের জন্য আরও কিছু অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা বলেন, তবে পর্যটকদের জন্য কক্সবাজারে আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। বাচ্চাদের জন্য কোনো শিশুপার্ক নেই। মা-বাবার সঙ্গে আসা শিশুরা সৈকতে গোসল করা ছাড়া আর কোনো আনন্দ-উল্লাস করতে পারে না। আলাদা শিশুপার্কসহ বেশকিছু ইভেন্ট তৈরি করতে হবে পর্যটকদের বিনোদনের জন্য।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, বেশকিছু পর্যটন স্পটে অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজ চলছে। কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের নানা সুযোগ-সুবিধা দিতে আলাদা পর্যটন সেল থেকে সবকিছু মনিটরিং করা হয়ে থাকে।

advertisement
advertisement