advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

দর্শক ফেরায় চট্টগ্রামে স্বস্তি, দ্রুত সংস্কারের দাবি

চট্টগ্রাম থেকে ওমর ফারুক
২৬ নভেম্বর ২০২১ ১০:৩২ এএম | আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২১ ১১:১৯ এএম
ছবি : আমাদের সময়
advertisement

দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় পর চট্টগ্রামের মাঠে দর্শক প্রবেশের সুযোগ মিলেছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ দিয়ে জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে দেখা মিলেছে হাজার হাজার ক্রিকেটপ্রেমীর। টেস্ট ম্যাচ হলেও এই ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের মাঝে প্রত্যাশার কমতি নেই। তবে গ্যালারির আসনগুলোর বেহাল দশার সংবাদ গণমাধ্যমে দেখে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ক্রিকেটের প্রতি চট্টগ্রামের মানুষের ভালোবাসার কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই। এখানকার মানুষের মাঝে সব সময় ক্রিকেট প্রেমের দেখা মিলেছে। করোনাভাইরাসের কারণে এখানে এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ হলেও দর্শক প্রবেশের অনুমতি ছিল না। তবে এবার পরিস্থিতি বিবেচনায় সেই অনুমতি মেলায় টিকিট কাউন্টারে দর্শকদের ভিড় দেখা গিয়েছে।

টিকিট কাউন্টারে আগত বেশ কয়েকজন দর্শকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, দীর্ঘ সময় পর চট্টগ্রামে দর্শক ফেরায় স্বস্তির বাতাস বইছে। আমরা সবাই বাংলাদেশকে সমর্থন যোগাতে মাঠে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ এই ম্যাচে বাংলাদেশ ভালো করবে। পাকিস্তানের সঙ্গে দারুণ লড়াই হবে চট্টগ্রামে।

সাগরিকার এই স্টেডিয়ামে সর্বোচ্চ ২২ হাজার দর্শক প্রবেশের সুযোগ থাকলেও করোনার কারণে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রির সুযোগ ছিল বিসিবির। কিন্তু গ্যালারির ষাট শতাংশ আসন পরিত্যক্ত হওয়ায় মাত্র পাঁচ হাজার টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। যদিও চার ক্যাটাগরিতে ভাগ করা এই টিকিটগুলোর মধ্যে দর্শকদের আগ্রহ ইস্টার্ন স্ট্যান্ডের দিকে।

আসনগুলোর দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়ে আগত দর্শকরা বলেন, চট্টগ্রামের মাঠে যখনই খেলা হয় তখনই আমরা বাংলাদেশকে সমর্থন দিতে মাঠে যাই। কিন্তু কয়েকদিন ধরে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আমরা দেখতে পেয়েছি আসনগুলোর বেহাল দশা। আমরা চাই বিসিবি দ্রুত এগুলো সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেবে।

তবে মাঠের দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে দ্রুতই সংস্কার শুরু হবে জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামের গ্যালারির। আগের চেয়ারগুলো পরিবর্তন করে সেখানে টেকসই চেয়ার বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। আগামী বিপিএলের আসর শুরু আগেই গ্যালারি সংস্কার শেষ করবে তারা।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন উপলক্ষে এই মাঠের সংস্কার করা হয়েছিল। এরপর ১০ বছর কেটে গেলেও এই মাঠের সংস্কার নিয়ে তেমন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কিংবা মাঠের লিজ নেওয়া বিসিবি। দীর্ঘ সময় ধরে রোদ বৃষ্টিতে পড়ে থাকার ফলে এমন হয়ে পড়ে আছে আসনগুলো।

advertisement
advertisement