advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা গতকালও শেষ হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
৩০ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২১ ০২:০৬ এএম
advertisement

কক্সবাজারে আলোচিত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় অষ্টম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম দিন গতকালও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামের জেরা শেষ হয়নি। এদিন বিকাল সোয়া ৫টায় জেরা অসমাপ্ত রেখেই মামলার বিচারিক কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে আবারও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অসমাপ্ত জেরা শুরু করা হবে। এর পর এ মামলায় আসামি হওয়া পুলিশের তিন সোর্স পক্ষের আইনজীবীরা জেরা করবেন। ইতিপূর্বে এই মামলায় আদালতে ৬৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এএসপি খাইরুল ইসলাম এ মামলার ৬৫তম সাক্ষী।

advertisement 3

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে জেরা শুরু হয়। সপ্তম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ দিন গত ১৭ নভেম্বরও তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেরে জেরা শুরু হয়। সেদিনও জেরা অসমাপ্ত ছিল। গতকাল সেই অসমাপ্ত জেরার মধ্য দিয়ে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম। তিনি জানান, এ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হচ্ছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এটি একটি সেনসিটিভ

advertisement 4

ও চাঞ্চল্যকর মামলা। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ধীরে সুস্থে জেরা করছেন। তিনি আরও জানান, আজ (সোমবার) মামলার মূল তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামকে বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক লিয়াকতের আইনজীবী জেরা করেন। পরে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত জেরা শুরু করেন। বিকাল ৫টার দিকে জেরা অসমাপ্ত রেখে আদালত মুলতবি ঘোষণা করেন।

গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় ওসি প্রদীপসহ এ মামলার ১৫ আসামিকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আদালতে নিয়ে আসা হয়।

উল্লেখ্য, গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

advertisement