advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

চীনকে টেক্কা ইইউর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২ ডিসেম্বর ২০২১ ০৮:৩৬ এএম
advertisement

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) একটি বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ করতে যাচ্ছে, যাকে ব্যাপকভাবে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের প্রতিদ্বন্দ¦ী হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিবিসি গতকাল এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে। ইইউর অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিরা বলছেন, এ পরিকল্পনা ডিজিটাল, পরিবহন, জলবায়ু ও শক্তি খাতে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ পরিকল্পনা আফ্রিকা এবং অন্যত্র চীনা প্রভাব মোকাবিলায় পশ্চিমের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গতকালই গ্লোবাল গেটওয়েতে উদ্যোগটি উপস্থাপন করার কথা ছিল ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের। সদস্য রাষ্ট্র, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাত থেকে কীভাবে কোটি কোটি ইউরো লাভ করা যায়, ইইউ এখন তা-ই দেখছে।

লিয়েন সেপ্টেম্বরে তার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘আমরা বিশ্বজুড়ে মানসম্পন্ন অবকাঠামো, পণ্য, মানুষ ও পরিসেবার সংযোগে বিনিয়োগ চাই।’

গতকাল ১৪ পৃষ্ঠার যে নথি প্রকাশ হওয়ার কথা, তা সরাসরি চীনের কৌশলের প্রতিদ্বন্দ¦ী হিসেবে দেখা যাবে না। তবে জার্মান মার্শাল ফান্ডের সিনিয়র ট্রান্সআটলান্টিক ফেলো অ্যান্ড্রু স্মল বলেছেন, প্রেক্ষাপট অনিবার্য আপনার যদি বেল্ট অ্যান্ড রোড না থাকে, তবে গ্লোবাল গেটওয়ে থাকবে না।

এ জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পক্ষ থেকে প্যাকেজগুলোকে একত্রিত করার এবং অর্থায়নের প্রক্রিয়াগুলো বের করার জন্য প্রথম গুরুতর প্রচেষ্টাকে চিহ্নিত করে।

বেল্ট অ্যান্ড রোড চীনের পররাষ্ট্রনীতির একটি কেন্দ্রবিন্দু। নতুন রাস্তা, বন্দর, রেলওয়ে ও সেতুতে অর্থ চাষের মাধ্যমে বাণিজ্য সংযোগের উন্নয়ন। কৌশলটি এশিয়া, ইন্দো-প্যাসিফিক, আফ্রিকা এমনকি পশ্চিম বলকানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নিকটবর্তী প্রতিবেশী পর্যন্ত পৌঁছেছে।

যেভাবেই হোক, পশ্চিমের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক পদচিহ্ন বেড়েছে। এখন ইইউ তার নিজস্ব প্রভাব এবং সংস্থান মার্শাল করার চেষ্টা করবে, অ্যান্ড্রু স্মল যা বলেছে তাতে একটি বড় পরীক্ষা হবে। প্রশ্ন হলো- ইইউ সত্যিই এই ভূ-রাজনৈতিক জায়গায় কাজ করতে পারে কিনা। অথবা এটি কি খুব অনমনীয়, অভ্যন্তরীণ আমলাতান্ত্রিক লডাইয়ে জর্জরিত? যদি তারা এতে ব্যর্থ হয়, তবে এটি একটি বড় ভুল। একজন কূটনীতিক বিবিসিকে বলেছিলেন, এটি একটি ভালো লক্ষণ যে, অবশেষে ইউরোপ এই এলাকায় তার প্রভাব জোরদার করছে।