advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বাড়তে পারে গ্যাস সংকট
নিতে হবে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ

২ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১ ডিসেম্বর ২০২১ ১১:৪৫ পিএম
advertisement

রাজধানীতে দিন দিন বাড়ছে জনসংখ্যা। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চাহিদা বাড়ছে সবকিছুর। এর মধ্যে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিত্যপ্রয়োজনীয়। কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অপ্রতুল হওয়ায় একটা না একটা সমস্যা লেগেই আছে। বর্তমানে রাজধানীবাসী ভুগছে তীব্র গ্যাস সংকটে। প্রতিবছর শীত এলেই নগরবাসীকে গ্যাস সংকটের মুখে পড়তে হয়।

পেট্রোবাংলার একটি সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ নভেম্বর সামিট গ্রুপের তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের ভাসমান টার্মিনাল ও পুনর্গ্যাসে রূপান্তরকরণ ইউনিটের (এফএসআরইউ) মুরিং লাইনের তার ছিঁড়ে যায়। ফলে এ ইউনিটটি আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ করতে পারবে না। এমনিতেই গ্যাস সংকটে নাকাল অবস্থা। এ কারণে বিকাল ৫টা থাকে রাত ১০টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশনগুলো বন্ধ রাখা হচ্ছে। এতে ওই সময় পর্যন্ত সারাদেশে গ্যাস ঘাটতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিছু দিন আগেও দেখা গেছে চাহিদা অনুসারে গ্যাস মিলছে না। ফলে শিল্প, বাণিজ্য, বাসাবাড়িসহ সব খাতেই ভোগান্তি বাড়ছে গ্যাস সংকটে। কলকারখানায় উৎপাদন কম হচ্ছে। বাসাবাড়িতে সময়মতো গ্যাস থাকছে না। তা দেশের অর্থনীতির জন্য যেমন দুঃসংবাদ বলে বিবেচিত হচ্ছে, তেমনি কেড়ে নিয়েছে জনমনের স্বস্তি। বিদ্যমান বাস্তবতায় সরকার বা সংশ্লিষ্ট মহলে গ্যাস নিয়ে যে ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তার নিরসন করতে হবে। লাইন ছিঁড়ে যাওয়ার ফলে এলএনজি সরবরাহে যে ত্রুটি ধরা পড়েছে, তা দ্রুত মেরামত করে সংকট দূর করতে হবে। আমরা আশা করব, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে পেট্রোবাংলা সাধ্যানুযায়ী সব চেষ্টা চালাবে। এ ধরনের বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এমনটিও প্রত্যাশিত।

advertisement
advertisement