advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বিদেশে না গিয়েও ওমিক্রনে সংক্রমিত চিকিৎসক

৪ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০৬ এএম
আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০৭ এএম
প্রতীকী
advertisement

বিশ্বজুড়ে এখন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হলেও দ্রুতই বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার এই ধরন। ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও। গত বৃহস্পতিবার দেশটির দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকে দুই ব্যক্তির শরীরে অমিক্রন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশে ভ্রমণ না করেও করোনার নতুন এই ধরনটিতে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, কর্ণাটকে যে দুজনের ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে, তাদের একজন বিদেশ থেকে ফিরেছেন। অন্যজন সেখানকার একজন চিকিৎসক। তিনি স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। এ ঘটনা রাজ্যে ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে সংক্রমিত দুজনের নাম–পরিচয় জানানো হয়নি।

এ বিষয়ে কর্ণাটকের কোভিড–১৯ বিষয়ক টাস্কফোর্সের জেনোমিক সার্ভিল্যান্স কমিটির সদস্য বিশাল রাও এনডিটিভিকে জানান, বিদেশে না গিয়েও একজন চিকিৎসক ওমিক্রনে সংক্রমিত হয়েছেন। এর অর্থ হলো করোনার এ ধরনটি হয়তো স্থানীয়ভাবে ছড়াতে শুরু করেছে। এর অন্যতম কারণ হতে পারে, বিদেশফেরত ব্যক্তিদের সঙ্গে সবাই অবাধে মিশছেন।

তবে কি কর্ণাটকে আগেই ওমিক্রন প্রবেশ করেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে বিশাল রাও বলেন, কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করেছে। রাজ্যে আগে থেকে করোনার এই ধরনের প্রবেশ করার সুযোগ ছিল না।

তবে সতর্ক থাকার পরও কর্ণাটকে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের ওমিক্রন প্রতিরোধে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশাল রাও। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়ন, ভেন্টিলেশন ও অক্সিজেন নিশ্চিত করতে কী পরিমাণ বিনিয়োগ করা হয়েছে, তার চেয়ে জরুরি করোনার ওমিক্রন ধরন প্রতিরোধে আগে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া। কেননা এখনো রাজ্যে শনাক্তের হার ১ শতাংশের নিচে রয়েছে। এটা বাড়তে দেওয়া যাবে না।’

ওমিক্রন প্রতিরোধে লকডাউন কিংবা শাটডাউন সর্বশেষ কৌশল মন্তব্য করে বিশাল রাও আরও বলেন, জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। সচেতন হতে হবে। করোনা প্রতিরোধে যাবতীয় নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।

ভারত ইতিমধ্যে করোনার একাধিক ঢেউয়ের ধাক্কা সামলেছে। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ। করোনায় মারা গেছেন ৪ লাখ ৬৯ হাজারের বেশি ভারতীয়। এমনকি ভারত থেকে ছড়ানো করোনার ডেলটা ধরন বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়িয়েছে।

এখন ওমিক্রন কি ভারতে করোনার নতুন আরেকটি ঢেউয়ের জন্য দায়ী হবে, এমন প্রশ্ন রাখা হয়েছিল বিশাল রাওয়ের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘এর অনেকগুলো নির্দেশক রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত নতুন আরেকটি ঢেউ শুরুর নির্দেশক দেখা যায়নি। তবে সাধারণ মানুষকে আমরা বলতেই পারি, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই এখনো শেষ হয়নি। হয়তো শিগগিরই শেষ হবেও না।’

advertisement
advertisement