advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

বিরলে ধর্ষণের পর শিশুকে রশিতে ঝুলিয়ে হত্যাচেষ্টা

দিনাজপুর ও নোয়াখালী প্রতিনিধি
৪ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০২১ ০৩:০৫ এএম
advertisement

দিনাজপুরের বিরলে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর গলায় রশি দিয়ে বাঁশের খুঁটিতে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা করে এক গরু ব্যবসায়ী। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে শিশুটি এম আবদুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

অন্যদিকে নোয়াখালীর সেনবাগে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণ করেছে এক ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। বিরলের ঘটনায় ঘটনায় পুলিশ রাসেল হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী।

শিশুটির বাবা জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল চারটায় তার মেয়ে প্রাইভেট পড়ে বাড়িতে ফেরে। মেয়ের মা মাঠে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। মেয়ের হাতে বাড়ির চাবি দিয়ে তিনি বাইরে যান। কিছুক্ষণ পর তার স্ত্রী বাড়িতে এসে মেয়েকে বারান্দায় বাঁশের খুঁটির সঙ্গে রশি প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের

লোকজন এগিয়ে আসেন। শিশুটিকে প্রথমে বিরল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে এম আবদুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শিশুটির বাবা বলেন, ‘প্রথমে আমরা ধর্ষণের বিষয়টি বুঝতে পারিনি। দিনাজপুরে আসার পথে দেখি তার রক্তক্ষরণ হচ্ছে।’

এম আবদুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক আইসিইউ বিশেষজ্ঞ মাহবুব মোর্শেদ বলেন, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। তার গলা কেটে গেছে। তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রক্তক্ষরণও হয়েছে। সাধ্যমতো তার চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম শুক্রবার দুপুরে বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় রাসেল নামে একজনকে আটক করা হয়। শুক্রবার সকালে শিশুটির চাচা বাদী হয়ে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

অন্যদিকে নোয়াখালীর সেনবাগের বীজবাগ ইউনিয়নের বীর নারায়ণপুর গ্রামে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেলার পথে ধরে নিয়ে এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণ করেছে একই এলাকার আবদুল কাদেরের ছেলে জহির উদ্দিন (৪৫)। এ ঘটনায় নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় জহির উদ্দিন ও তার সহযোগী হাবীব উল্যাহকে আসামি করে সেনবাগ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ধর্ষককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নির্যাতনের শিকার ছাত্রীকে শুক্রবার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।