advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ঢাকা ওয়াসা দক্ষিণ এশিয়ায় ‘রোল মডেল’, দাবি এমডির

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ ডিসেম্বর ২০২১ ০৬:০৫ পিএম | আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০২১ ১১:৪৫ পিএম
advertisement

দক্ষিণ এশিয়ার বড় শহরগুলোতে পানি সরবরাহকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে ঢাকা ওয়াসা ‘রোল মডেল’ বলে দাবি করেছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান। তিনি বলেছেন, ঢাকায় গত কয়েক বছরে মোটাদাগে পানির সমস্যা হয়নি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ (এডিবি) আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ঢাকা ওয়াসাকে দক্ষিণ এশিয়ায় পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে নিয়েছে।

আজ শনিবার ঢাকা ওয়াসার চলমান কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তাকসিম এ খান এসব কথা জানান। ঢাকা ওয়াসা ভবনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় তার সময়ে ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন। তিনি জানান, ঢাকা ওয়াসা তার ‘ঘুরে দাঁড়াও’ রোডম্যাপ থেকে বিচ্যুত হয়নি, তবে বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে।

তাকসিম এ খান জানান, ঢাকায় বর্তমানে পানির চাহিদা মৌসুমভেদে দৈনিক ২১০ থেকে ২৬৫ কোটি লিটার। ওয়াসার উৎপাদন সক্ষমতা ২৭০ কোটি লিটার। গত কয়েক বছরে স্থানীয়ভাবে কিছু সমস্যা, কারিগরি সমস্যা ছাড়া পানির ঘাটতি হয়নি। বর্তমানে ৩৪ শতাংশ পানি ভূগর্ভস্থ। ভূ–উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়াতে নানা কার্যক্রম চলমান।

ঢাকার ৮০ শতাংশ এলাকায় এখনো পয়োবর্জ্যের নেটওয়ার্ক নেই উল্লেখ করে ওয়াসার এমডি জানান, ঢাকা ওয়াসা ২০১৬ সাল থেকে স্যুয়ারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। পাঁচটি পয়োবর্জ্য শোধনাগার করার কার্যক্রম চলছে। ঢাকা ওয়াসা ২০২৭ সালের মধ্যে ঢাকা শহরের শতভাগ এলাকাকে স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।

শীতকালে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট দেখা দেয়, এমন প্রশ্নের জবাবে তাকসিম এ খান জানান, নদীতে পানি কমে যাওয়া এবং গভীর নলকূপের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় শীতকালে কিছু এলাকায় পানির সমস্যা হয়। পানির পাম্পগুলোতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো এলাকায় পানির সংকট হলে তাৎক্ষণিকভাবে পানি সরবরাহে ওয়াসার গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি সমবায় অধিদপ্তরের অডিটে ঢাকা ওয়াসার কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী সমবায় সমিতির ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তাকসিম এ খান জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলমান। ওয়াসার প্রধান শৃঙ্খলা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার পরিচালক (উন্নয়ন) আবুল কাশেম, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক উত্তম কুমার রায়, সচিব শারমিন হক আমির ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিশাত মজুমদার।

advertisement
advertisement