advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিন

গ্যাসের প্রিপেইড মিটার স্থাপনে ধীরগতি

১৪ জানুয়ারি ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ১১:৩২ পিএম
advertisement

প্রিপেইড মিটার স্থাপন অত্যন্ত ধীরগতিতে হচ্ছে। গত ১০ বছরে আবাসিক গ্যাস খাতে প্রায় সাড়ে ৪২ লাখ গ্রাহকের বিপরীতে ২০২১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৫ লাখ ৪৩ হাজার গ্যাসের প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। এত ধীরগতিতে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রিপেইড মিটার স্থাপন কাজের কারণে জ¦ালানি মন্ত্রণালয় ক্ষুব্ধ। দ্রুত আবাসিক গ্যাস গ্রাহকদের প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিটার না থাকার সুযোগে তিতাস কোম্পানি গ্রাহকদের কাছ থেকে এ বাড়তি অর্থ আদায় করছে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দাম নির্ধারণকালে আবাসিকে দুই চুলার একজন গ্রাহক মাসে সর্বোচ্চ ৭৭ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার করতে পারেন বলে ধরে নেয়। এ হিসাবে দাম ধরা হয়েছে ৯৭৫ টাকা। অথচ একজন গ্রাহক মাসে গড়ে ৪৫ থেকে ৫০ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার করেন, যার দাম ৫৭০ থেকে ৬৩০ টাকা। গ্রাহক যদি মাসে গড়ে ৩৩ ঘনমিটার গ্যাস কম ব্যবহার করেন, তা হলে তার বাড়তি বিল দিতে হয় ৪১৬ টাকা। সেই হিসাবে ছয়টি কোম্পানির ৩৬ লাখ গ্রাহককে বছরে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বাড়তি বিল দিতে হচ্ছে। প্রিপেইড মিটার না থাকার সুযোগে তিতাস কোম্পানি গ্রাহকদের কাছ থেকে এ বাড়তি অর্থ আদায় করছে।

গ্রাহকদের কম গ্যাস দিয়ে বেশি বিল নিয়ে যাচ্ছে, সেটি কোথায় যাচ্ছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যাচ্ছে না। এই গ্যাস বাসাবাড়ি বা কারখানায় অবৈধ সংযোগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা ‘ফাও’ কামিয়ে নিচ্ছেন তিতাসের একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারী। সব গ্রাহককে প্রিপেইড মিটার দিলে সেটি সম্ভব হবে না। এ কারণেই তাদের প্রিপেইড মিটার প্রকল্প চলছে শম্বুকগতিতে।

আমরা মনে করি সরকারকে অবশ্যই গ্রাহকের স্বার্থ দেখতে হবে। তাই শুধু ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করাই যথেষ্ট নয়। প্রিপেইড মিটার দ্রুত স্থাপনে সরকারের যে যে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন তাই নেবে এমনটাই প্রত্যাশা।

advertisement
advertisement