advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
১৫ জানুয়ারি ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২২ ১০:৫২ পিএম
advertisement

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী ছাত্রী হলের প্রাধ্যক্ষ (প্রভোস্ট) জাফরিন আহমেদ লিজার পদত্যাগ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা। ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে প্রাধ্যক্ষকে পদত্যাগ করতে হবে। নইলে হলের ফটকে তারা তালা ঝুলিয়ে দেবেন।

ওই হলের শিক্ষার্থীরা ৩ দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবিগুলো হলো- প্রাধ্যক্ষ কমিটির পদত্যাগ; অবিলম্বে হলের যাবতীয় অব্যবস্থাপনা নির্মূল করা এবং হলের স্বাভাবিক সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ ছাত্রীবান্ধব প্রাধ্যক্ষ কমিটি নিয়োগ দেওয়া। এসব দাবিতে গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেন ছাত্রীরা। পরে রাত আড়াইটার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ দাবি মেনে নেওয়ার আশ^াস দিলে ছাত্রীরা হলে ফিরে যান।

ছাত্রীদের অভিযোগ, দাবির বিষয়ে প্রাধ্যক্ষকে ফোন করেন আন্দোলনকারীরা। তিনি ফোন ধরেই বলেন, ‘হল থেকে বেরিয়ে গেলে যাও। কোথায় যাবা তোমরা? আমার ঠেকা পড়েনি।’ প্রাধ্যক্ষের এমন মন্তব্যের পর গতকাল উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেন হলের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি জানান।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা ফোন দিলে তিনি হল থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। বিষয়টি জরুরি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, কিসের জরুরি? কেউ তো আর মারা যায়নি।’

অভিযোগের বিষয়ে জাফরিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা সমস্যাগুলো নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসব। এত রাতে হল প্রভোস্টরা আসতে পারছেন না। শিক্ষার্থীদের বলেছি তারা যেন হলে ফিরে যায়।’

শিক্ষার্থীরা দাবির কারণ উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগে বলেন,

ছোট-বড় সমস্যাতেই প্রভোস্ট কোনো দায়িত্ব নিতে চান না, বরং সমস্যা উত্থাপন হলে অশোভন আচরণ করেন। এ ধরনের আচরণ প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। সমস্যা নিয়ে প্রভোস্টের কাছে গেলেই সিট বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ছাত্রীদের একটি প্রতিনিধি দল আমাদের কাছে লিখিত দাবি নিয়ে এসেছিল। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের খাবারের সমস্যা, ইন্টারনেট সমস্যা ও হলের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকটের সমস্যা সমাধান করে দেব বলেছি। তাদের সঙ্গে সুন্দর আলোচনা করে দাবিগুলো আমরা মেনে নিয়েছি। কিন্তু তারা কেন এখনো বসে আছে, তা আমি জানি না।’

এদিকে জাফরিন আহমেদ লিজা পদত্যাগ করেছেন বলে গতকাল একাধিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ পদত্যাগ করেননি। এ খবরের কোনো ভিত্তি নেই। বর্তমানে তিনি অসুস্থ। তার জায়গায় সহযোগী অধ্যাপক জোবেদা কনক খানকে ভারপ্রাপ্ত প্রাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

advertisement
advertisement