advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

লালমনিরহাটে নিখোঁজ, ঢাকায় লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ জানুয়ারি ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২২ ১০:৫২ পিএম
advertisement

রাজধানীর মিরপুরে সরকারি বাঙলা কলেজের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার হওয়া অর্ধগলিত লাশটি রুবেল হোসেনের (৩০)। সদ্য বিবাহিত রুবেল গত ৫ জানুয়ারি লালমনিরহাটে গ্রামের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) আঙুলের ছাপ মিলিয়ে লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে দারুস সালাম থানাপুলিশ। বাবার নাম নুরুল আমিন ও মাতার নাম ওমিসা বেগম। গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট সদর থানার খলাইঘাট গ্রামে।

দারুস সালাম থানাপুলিশ জানায়, কিছুদিন আগে একই এলাকায় বিয়ে করেছিলেন রুবেল। এর পর চলতি মাসের

৫ তারিখ নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে ৬ জানুয়ারি লালমনিরহাট সদর থানায় তার বাবা একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার মিরপুরে সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ৮নং ভবন থে?কে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

দারুস সালাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল হোসেন আমাদের সময়কে বলেন, আঙুলের ছাপের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত হলে লালমনিরহাট সদর থানায় যোগাযোগ করা হয়। লালমনিরহাট থানা থেকে জানানো হয়, রুবেল গত ৫ জানুয়ারি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ৬ জানুয়ারি তার বাবা একটি জিডি করেন। কীভাবে সে নিখোঁজ হলো ও ঢাকায় এসে বাংলা কলেজে গেল সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কাজ করছে।

স্থানীয় থানাপুলিশ ও পরিবারের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে রুবেলের বিয়ে দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু রুবেল বিয়েতে রাজি ছিল না। পরিবারের ধারণা ছিল, বউ পছন্দ না হওয়ায় সে বাড়ি থেকে পালিয়েছে; কিন্তু সে কীভাবে এবং কি জন্য লালমনিরহাট থেকে ঢাকায় এল তা এখনো পরিষ্কার নয়। ধারণা করা হচ্ছে- কেউ পরিকল্পিতভাবে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসে। তার পর খুন করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে সিম ছাড়া একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। আরও কিছু আলামত পাওয়া গেছে। সেগুলো নিয়ে কাজ করছে পুলিশ। দ্রুতই রহস্যের সমাধান হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার মিরপুরের সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ৮নং ভবনে ময়লা পরিষ্কারের জন্য শ্রমিকরা গেলে দুর্গন্ধ পেয়ে এক পর্যায়ে ওই যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

advertisement
advertisement