advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সংবাদ সম্মেলন
আন্দোলন দমনই বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ জানুয়ারি ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ০৩:২০ এএম
advertisement

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অব্যাহত রেখে সরকারের আরোপিত বিধিনিষেধের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরোধী দলের আন্দোলন দমন করা। এমন অভিযোগ করেছে বিএনপি। গতকাল শুক্রবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে দলের অবস্থান তুলে ধরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমদু চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, একদিকে সরকার ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। অন্যদিকে সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও আরও আরও অনেক কাজ উন্মুক্ত আছে- যা সাংঘর্ষিক। সরকার নির্বাচন কমিশনকে এখন পর্যন্ত অনুরোধ করেনি, সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে নির্বাচন স্থগিত করতে। সুতরাং এটা (বিধিনিষেধ) যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, এই ব্যাপারে সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই।

আমীর খসরু বলেন, জার্মানিভিত্তিক ডয়েচে ভেলের একটা সার্ভে হয়েছে। সেই সার্ভেতে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে- বিধিনিষেধ কি সরকার রাজনৈতিক কর্মকা-কে বাধাগ্রস্ত করতে করেছে; না স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য করেছে? এই সার্ভেতে

৮৮ শতাংশ মানুষ বলেছে, রাজনৈতিক কর্মকা- বন্ধ করতে করা হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধির পক্ষে এ কাজটি করা হয়নি।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে দ্বিতীয় দফায় ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৯ জেলায় সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৭ জেলায় এ সমাবেশ হয়েছে। এখনো ৩২ জেলায় কর্মসূচি বাকি রয়েছে। বিধিনিষেধ আরোপ করায় করণীয় নির্ধারণে গত বুধবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়।

এ প্রসঙ্গে দলের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে এটি অযৌক্তিক ও অকার্যকর। এর পরও জনস্বার্থ ও প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আমাদের জেলা সমাবেশগুলোর তারিখ পুনর্নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে পুনর্নির্ধারিত তারিখ জানানো হয়নি সংবাদ সম্মেলনে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের আন্দোলনের যে কর্মসূচি চলছিল সেটাকে সরকার প্রথম থেকেই বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ১১ দফা নির্দেশাবলী জারি হওয়ার আগেও আমাদের দেশের বহু স্থানে সমাবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে, ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা হয়েছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা এসবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

করোনা মোকাবিলায় সরকার ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রায় ২ বছরেও দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কোভিডের টিকা পায়নি। সরকার তথাকথিত উন্নয়ন ও সাফল্যের যে বড়াই করে তা জনগণের কোনো উপকারে আসছে না।

advertisement
advertisement