advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

বিপিএল নিয়ে সমালোচনা বন্ধ করা উচিত : তামিম

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৭ জানুয়ারি ২০২২ ১০:০৮ পিএম | আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২২ ১০:০৮ পিএম
advertisement

আর মাত্র চার দিন পরই মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসর। আগের আসরগুলোর মতো এবারও বিপিএলের আগে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে আগের আসরগুলোর চেয়ে এবার সমালোচনার পরিমাণটা কয়েকগুণ বেশি। এর মূল কারণ, বিদেশি তারকা ক্রিকেটারের ঘাটতি, ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) না থাকা ও ভালো মানের বিদেশি আম্পায়ার না পাওয়া। যদিও এসব ঘাটতি মেনে নিয়েই আসরটি মাঠে গড়াচ্ছে বলে সেটা প্রশংসার দাবিদার বলে মনে করেন তামিম ইকবাল।

বিশ্বব্যাপী হুহু করে বাড়ছে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন। এ ছাড়াও ক্রিকেট ব্যস্ততার মাঝে আছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সিরিজ। এতো সীমাবদ্ধতার পরও এবার বিপিএল আয়োজন হচ্ছে, এটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখতে চান তামিম। তার মতে, এতো কিছুর মাঝেও যে আসরটা মাঠে গড়াচ্ছে, তাতে প্রশংসা করা উচিত। নেতিবাচক আলোচনা বাদ দিয়ে টুর্নামেন্টে ফোকাস করাকে জরুরি মনে করেন তিনি।

আজ সোমবার মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন দলটির ওপেনার তামিম ইকবাল। অনেকগুলো নেতিবাচক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার উত্তরটা আপনারা ইতিবাচকভাবে নেবেন। আমি এখানে বসার পর থেকে প্রথম ৬-৭টা প্রশ্ন হয়েছে, সবই নেতিবাচক। একটাও ইতিবাচক কথা নেই। দল কেন এরকম, ডিআরএস নেই, আম্পায়ারিং এই করবে সেই করবে...।’

তামিম বলেন, ‘ঘাটতি অবশ্যই থাকবে। সব জায়গায়ই ঘাটতি থাকে। কোন পরিস্থিতিতে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে এটা বুঝতে হবে। পিএসএলও একই সময়ে হচ্ছে। তারপরও যে টুর্নামেন্টটা হচ্ছে, এটার প্রশংসা করা উচিত। ডিআরএস তো গত বিপিএলগুলোতে ছিল। আমি নিশ্চিত এবার কোনো না কোনো কারণে ডিআরএস নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে ডিআরএস থাকলে অবশ্যই খুশি হতাম, কারণ কোনো ডিসমিসালে আমি আউট না হয়ে থাকলে সেখানে আমার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে। এটা নিয়ে আমরা শুধু নেতিবাচক কথা বলব এর পক্ষে আমি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় এই টুর্নামেন্টের অনেক ইতিবাচক দিক আছে। সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে, এখান থেকে এক-দুইটা খেলোয়াড় বাংলাদেশ পেয়ে যেতে পারে। খারাপ আমরা সব সময় খুঁজে বের করতে পারবো। আসুন সেদিকে নজর না দেই। ভালো যা কিছু পাব তাতে মনোযোগ দেওয়া যাক। নেতিবাচক চিন্তা করলে আপনি সারা দিন বলতে পারবেন। তাই ইতিবাচক থাকা উচিত।’