advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

তৈমূর-কামালকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

১৯ জানুয়ারি ২০২২ ০৮:৪০ এএম
আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২২ ০৮:৪০ এএম
advertisement



দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে অংশ নিয়ে কঠিন শাস্তির মুখে পড়লেন বিএনপি নেতা তৈমূর আলম খন্দকার। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গতকাল তৈমূরকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এমনকি বাতিল করা হয়েছে তার বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদও।
একই শাস্তি হয়েছে নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালেরও। নাসিক নির্বাচনে তিনি ছিলেন তৈমূরের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট। দল ও প্রশাসনের চাপের মুখেও কামাল শেষ অবধি তৈমূরের পাশেই ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তৈমূরকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকা-ে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির গঠনতন্ত্র মোতাবেক দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে নির্দেশক্রমে বহিষ্কার করা হলো। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে দুপুরে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকা-ে জড়িত থাকার অভিযোগ
এটিএম কামালকে বহিষ্কার করা হয়। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের পরপরই জেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তৈমূরকে। ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয় মনিরুল ইসলাম রবিকে। এ ছাড়া কমিটির প্রথম যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সবুর সেন্টুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে।
এদিকে বহিষ্কারের পর এক প্রতিক্রিয়ায় তৈমূর আলম খন্দকার আমাদের সময়কে বলেন, বহিষ্কারের বিষয়টি আমার জানা নেই। দল যে সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই সিদ্ধান্ত। নারায়ণগঞ্জে বড় দুটি রাজনৈতিক দলে কমিটি ভাঙা ও বহিষ্কারের মড়ক লেগে গেছে। এটা করোনার মতো, রাজনৈতিক মহামারী লেগে গেছে। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য দুই দলেরই জালালি খতম পড়াতে হবে। এটিএম কামাল বলেন, আমি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক এবং খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কর্মী। এখান থেকে আমাকে কেউ বিচ্যুত করতে পারবে না। তবে যেহেতু দল করেন, তাই দলের যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত আসে তিনি সেটা মাথা পেতে নেবেন।