advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement

পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতি কোনো কাজে আসবে না : আইএফআরএস

অনলাইন ডেস্ক
২১ জানুয়ারি ২০২২ ১২:৫৫ এএম | আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২২ ১২:৫৫ এএম
সংগৃহীত ছবি
advertisement

পাকিস্তানের ‘জাতীয় নিরাপত্তা নীতি’ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গত শুক্রবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে দেশটির ‘আর্থিক সহায়তাদাতা’ পশ্চিমা দেশগুলোকে স্বাগত জানালেও তাদের সামরিক সহায়তা এবং অন্যান্য কৌশলগত সুযোগ-সুবিধা না দেওয়ার ব্যাপারে ইঙ্গিত রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর রাইটস অ্যান্ড সিকিউরিটি (আইএফআরএস) জানিয়েছে, ১১০ পৃষ্ঠার সেই জাতীয় নিরাপত্তা নীতি গত বছর ঘোষণা করা হয়। ইমরান খান ওই নীতির ৫০ পৃষ্ঠা জনসম্মুখে প্রকাশ করেছেন।

এতে দেখা যায়, কাউকে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ দিতে প্রস্তুত নয় পাকিস্তান। যদিও আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার আগে এবং নতুন তালেবান শাসন পর্যবেক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃতপক্ষেই সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ খুঁজছিল। এতে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে পাকিস্তানের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি অগ্রাধিকার পাবে।

জাতীয় নিরাপত্তা নীতি নিয়ে পর্যবেক্ষণ এই নীতির মূলের বিপরীত, এমনকি পাকিস্তানের এই প্রবণতাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের ‘ক্যাম্প পলিটিকসের’ সঙ্গে বিবেচনা করা হতো।

বর্তমানে বিলুপ্ত সেন্টো ও সিয়াটো চুক্তির সঙ্গে একীভুত হওয়ার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী দেখা যাচ্ছে, যা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও নবগঠিত কমিউনিস্ট চীনের বিরুদ্ধে রক্ষাপ্রাচীর হিসেবে কাজ করেছিল।

ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর রাইটস অ্যান্ড সিকিউরিটি জানিয়েছে, পাকিস্তানের সামরিক ও পারমাণবিক ব্যবস্থা পশ্চিমাদের সাহায্য নিয়ে তৈরি হলেও এখন চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়েছে। চীনের সঙ্গে ঘণিষ্ঠভাবে যুক্ত হওয়ার পর পাকিস্তান এই ‘ব্লক’ বা সংঘ থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছে।

বর্তমানে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে আধিপত্য নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ঠেলাঠেলিতে পাকিস্তান চীনের ছত্রছায়ায় অবস্থান করছে। যদিও, ঋণের জন্য বর্তমানে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ওপর এবং বিশ্ব ব্যাংকের ওপর নির্ভর করছে।
জাতীয় নিরাপত্তা নীতিতে বলা হয়েছে, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিকভাবে অবস্থানের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তান অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার করতে চায়। দেশের বৃহত্তর অঞ্চলকে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সংযোগ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

জাতীয় এই নিরাপত্তা নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমালোচনায় হয়েছে। বলা হচ্ছে, এর জন্য পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি জরুরি। এ ছাড়া, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে ঋণ নিলে দেশের অর্থনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিবে।
তবে বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না হতে আইএমএফ থেকে এই ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া দীর্ঘ মেয়াদী। এটি নিয়ে কেবল কাজ চলছে।

সূত্র : এএনআই