advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এবার শঙ্কা জাগাচ্ছে গম
সংকট দূর করতে বিশেষ নজর রাখা জরুরি

১৮ মে ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৭ মে ২০২২ ০৯:৩৭ পিএম
advertisement

বাংলাদেশে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ে অস্থিরতার ঘটনা বেশ পুরনো হলেও সম্প্রতি একের পর এক ইস্যু কেন্দ্র করে একেকটি নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। কোনোভাবেই যেন বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। অথচ বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার প্রতিবছর নানা রকম অঙ্গীকার-প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। কিন্তু বরাবরই দেখা গেছে, কোনো বিশেষ উপলক্ষে বাজারের নাটাই থাকে অশুভচক্রের হাতে। গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে- পেঁয়াজ, তেলের পর এবার গমের দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে গমের দাম বেড়েছে ৬ শতাংশ। এর প্রভাবে এবার ভারত রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরই গমের সংকট দেখিয়ে বাড়তি দাম রাখা হচ্ছে। তবে সরকার বলছে, ভারত থেকে চাহিদা অনুযায়ী আমদানি করা যাবে। কারণ গম রপ্তানি বন্ধ করলেও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর জন্য সুযোগ রেখেছে দিল্লি। সরকারও গমের বাজার স্বাভাবিক রাখতে নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে। কিন্তু বাস্তবায়ন কতটুকু হবে, সেটিই প্রশ্ন। এর মধ্যেই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়ে ক্রেতাদের আতঙ্কে ফেলে দেয়।

ভারত থেকে সরকারি পর্যায়ে গম আমদানির চেষ্টা ছাড়াও বাংলাদেশকে ভবিষ্যৎ বাজার নিয়ে চিন্তা করতে হবে। বিকল্প উৎস থেকে গম আমদানির চেষ্টা করতে হবে। তবে ভোক্তাদেরও বেশি দামে কেনার জন্য মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হবে। কারণ এই সংকট এখন বিশ্বব্যাপী। সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সরকারের তৎপরতার ওপরও জোর দিতে হবে। সয়াবিন তেলের মতো সরবরাহব্যবস্থা যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, এদিকে বিশেষ নজর রাখা জরুরি। সরকারের উচিত ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকটের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে শিগগির গম মজুদ বা বেশি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো শুরু করা। আইনের মাধ্যমে জরুরি খাদ্যপণ্য মজুদ করাকে গুরুতর শাস্তিমূলক অপরাধ বিবেচনা করে মজুদদারদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।