advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হাসপাতালে ফেলে রাখা হয়েছিল নববধূর মরদেহ, স্বামী গ্রেপ্তার

রাজশাহী ব্যুরো
২১ মে ২০২২ ০৯:২৭ পিএম | আপডেট: ২১ মে ২০২২ ১১:০১ পিএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

রাজশাহীতে হাসপাতালে ফেলে রাখা নববধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে জেলার মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওই নববধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী শিমুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

নিহত নববধূর নাম কারিমা আক্তার মীম (২০)। তিনি উপজেলার ঘাসিগ্রামের মাজেদুল ইসলাম মৃধার মেয়ে এবং একই উপজেলার বাকশিমইল গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে শিমুল হোসেনের স্ত্রী। ছয় মাস আগে শিমুলের সঙ্গে মীমের বিয়ে হয়েছিল।

নিহতের নববধূর স্বজনরা জানান, যৌতুকের দাবিতে মীমকে তার স্বামী ও শাশুড়ি মিলে গত শুক্রবার বিকেলে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। কিন্তু শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলছেন মীম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনই তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মীমকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই মীমের মরদেহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় ফেলে রেখে তার স্বামী ও স্বামীর স্বজনরা পালিয়ে যান।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই মীমকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত গৃহবধূর বাবা থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

ওসি বলেন, এই মামলার প্রধান আসামি নিহত গৃহবধূর স্বামী শিমুলের মোবাইল ট্র্যাক করে উপজেলার দুর্গাপর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে।