advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্রষ্টার সান্নিধ্যের শ্রেষ্ঠ ইবাদত তাহাজ্জুদ

অনলাইন ডেস্ক
৮ জুন ২০২২ ১০:৩৮ এএম | আপডেট: ৮ জুন ২০২২ ১০:৪৬ এএম
ফাইল ছবি
advertisement

তাহাজ্জুদের অর্থ হলো ঘুম থেকে ওঠা। মধ্যরাতের পর ঘুম থেকে জেগে নামাজ পড়াকে তাহাজ্জুদের নামাজ বলা হয়।

ফরজ নামাজের পর অন্যান্য সুন্নাত ও নফল সব নামাজের মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সবচেয়ে বেশি। রাসূল (সা.) বলেন, আল্লাহ তায়ালা প্রতিদিন শেষ রাতে প্রথম আসমানে এসে বলেন, তোমরা কে আমাকে ডাকবে! আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আমার কাছে কিছু চাইবে! আমি তাকে তা দেব। কে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে! আমি তাকে ক্ষমা করে দেব (মুসলিম, মিশকাত ১০৯)।

advertisement

রাসূল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জেগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে এবং সে তার স্ত্রীকেও ঘুম থেকে জাগিয়ে নামাজ পড়ায়, এমনকি সে যদি জেগে না ওঠে, তবে তার মুখে খানিকটা পানি ছিটিয়ে দেয় তাহলে তার প্রতি আল্লাহ রহমত বর্ষণ করে থাকেন। অনুরূপ কোনো মহিলা যদি রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে এবং সে তার স্বামীকে নামাজের জন্য জাগায়, এমনকি স্বামী না জাগলে স্ত্রী তার মুখে পানি ছিটিয়ে তার ঘুম ভাঙিয়ে দেয়, তাহলে তার প্রতিও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হতে থাকে (আবু দাউদ, নাসায়ী, মিশকাত)।

মহানবী (সা.) দুই দুই রাকাত করে এ নামাজ আদায় করতেন। তিনি কখনো চার রাকাত, কখনো আট রাকাত, কখনো ১২ রাকাত পড়েছেন। অন্যান্য নামাজের মতোই যেকোনো সূরা দিয়েই এ নামাজ পড়া যায়।

advertisement