advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মিশিগানে দ্বিতীয় বারের মতো প্রবাসীদের সামার ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি
২০ জুন ২০২২ ০২:৪৯ পিএম | আপডেট: ২০ জুন ২০২২ ০৩:২১ পিএম
মিশিগানে অনুষ্ঠিত সামার ফেস্টিভ্যাল। ছবি: আমাদের সময়
advertisement

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মিশিগানের ডেট্রয়েটে অবস্থিত আল ফালাহ মসজিদ চত্বরে সামার ফেস্টিভ্যাল ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন মিশিগানে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিরা।

বিশ্বের মোটরগাড়ির রাজধানী খ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীন শহর ডেট্রয়েটের প্রাণকেন্দ্রে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ এই ইসলামিক সেন্টারে গত বছর থেকে শুরু হয়েছে ফেস্টিভ্যাল।

এবারের ফেস্টিভ্যালে ছিল বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য ছিল বিভিন্ন ধরনের রাইড, ট্রেন ভ্রমণ, ঘোড়ায় চড়া, গৃহপালিত পশু-পাখির প্রদর্শনী, খাবারের স্টল। সেইসঙ্গে ওইমেনস বাজারে ছিল কাপড় ও জুয়েলারি দোকানের স্টল। ওইমেনস বাজার আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন সাংবাদিক ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি।

তিনি জানান, সামার ফেস্টিভ্যালকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বয়সী হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে ইসলামিক সেন্টার অব অর্থ ডেট্রয়েট পরিচালিত আল ফালাহ মসজিদ চত্ত্বর। মসজিদ চত্ত্বরটি বাঙালি কমিউনিটির খুব কাছাকাছি হওয়ায় এদিন মহিলারা বাচ্চাদের নিয়ে পায়ে হেঁটে এসেছেন এই মেলাতে।

অন্যদিকে, ওইমেনস বাজারে কাপড় ও জুয়েলারি বিক্রির পাশাপাশি খাবার বিক্রি করে এবং কিছু বোনদের ব্যক্তিগত অনুদানের মাধ্যমে সিলেটের বন্যার্ত দুস্থ মানুষদের সাহায্যের জন্য এক লাখ টাকার উপরে সংগ্রহ করা হয়েছে। বিনামূল্যে খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছে কাবাব হাউজ রেস্টুরেন্ট, আলাদীন রেস্টুরেন্ট এবং সেলিনা খান।

এবারের মেলায় বাড়তি আকর্ষণ ছিল রেনাসা শিল্পী গোষ্ঠী নিবেদিত ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্টান। সাধারণ মেলাগুলোতে পর্দা কিংবা ইসলামিক পরিবেশ না থাকায় মুসলিম মহিলারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করতে পারেন না। তাই আল ফালাহ মসজিদ কর্তৃপক্ষ মুসলিম কমিউনিটির সুবিধার্থে এ মেলার আয়োজন করছেন। বিগত কয়েক বছর যাবৎ মহামারীর কারণে মানুষের বন্দীদশা এবং মুসলিম মহিলাদের জন্য ঘরের বাইরে বিনোদনের তেমন অনুকূল পরিবেশ না থাকায় বিপুল সংখ্যক মহিলারা বাচ্চাদের নিয়ে মেলা উপভোগ করতে দেখা যায়।

দিনব্যাপী মেলাতে অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে কমিউনিটির বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ এবং জনপ্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণকারীদের উৎসাহ প্রদান এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। আগামী বছর আরও বড়ভাবে মেলার আয়োজন করা হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।