advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ত্রাণ কম, মানবেতর জীবন
সবার কর্তব্য বন্যাদুর্গত মানুষগুলোর সাহায্যে এগিয়ে আসা

২৪ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২২ ১০:৩১ পিএম
advertisement

সিলেট ও সুনামগঞ্জের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হতেই দেশের উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে বন্যা। ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে মানুষ। বন্যার্ত মানুষের এখনকার সবচেয়ে বড় চাহিদা হচ্ছে খাদ্যদ্রব্য ও বিশুদ্ধ পানি। এটা শুধু আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যাপার নয়, পানিবন্দি হয়ে নিজেদের বাসাবাড়িতে আটকা পড়েছে- এমন লোকজনের জন্যও এ সহায়তা জরুরি হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে স্যানিটেশন বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। শুকনো খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি, মোমবাতি ও দিয়াশলাইয়ের মতো সামগ্রীর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন আমাদের সংবাদদাতারা।

advertisement

যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি অসহায় পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে। মানুষের এখন বিশুদ্ধ পানি, পুষ্টিকর খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধপথ্য দরকার। গণমাধ্যমের খবরে দেখা গেছে- যেসব সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তা চাহিদার তুলনায় কম। আমরা বলব- যথাসময়ে সহায়তা না পৌঁছানো গেলে যে সংকট ছোটখাটো থাকার কথা, তা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে। বন্যার সময়ের সমস্যা ও পানি নেমে যাওয়ার সমস্যা আলাদা। তথ্য-উপাত্ত বিবেচনায় নিয়ে বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কর্মসূচির পরিকল্পনাও এখন থেকেই নেওয়া উচিত। কারণ পানি নামতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে সেই কাজ শুরু করতে হবে। দ্রুত সব রকম সহায়তা প্রদান ও প্রথম সুযোগে দুর্গত সব মানুষকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি।

সরকারের সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদেরও। দেশে বহু বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আছে, তাদেরও এ ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। এখন আমাদের সবার কর্তব্য বন্যাদুর্গত মানুষগুলোর প্রতি সাহায্য-সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।

advertisement