advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাজার তদারকি ও খোলাবাজারে বিক্রি বৃদ্ধি করতে হবে

বৃষ্টি-বন্যার অজুহাত

২৭ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৭ জুন ২০২২ ০১:০১ এএম
advertisement

বৃষ্টি ও বন্যা পুঁজি করে আবারও বাজারে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে অসৎ ব্যবসায়ীরা। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি মুনাফা করতে চাইছে তারা। নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, বেশিরভাগ মানুষ বাজারে যেতেই ভয় পাচ্ছে।

ইতোমধ্যে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে পেঁয়াজের দাম অর্ধশতকের ঘর ছাড়িয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবিÑ বৃষ্টি, বন্যা ও বাড়তি মজুদের কারণে হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। তবে ক্রেতা ও ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টদের মতে, পেঁয়াজের বাজারে বন্যার প্রভাব পড়ার কথা নয়। আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েই চলেছেন। এ কারণেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যতই বাড়ুক না কেন, সরকার তো নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বাজার তদারকি জোরদার করা- যাতে কেউ বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দিতে না পারে।

advertisement

বলার অপেক্ষা রাখে না, অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর বাজেটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। মহামারীর কারণে ইতোমধ্যে তারা পরিবর্তিত আর্থিক পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে খাবারের খরচ কমাতে বাধ্য হয়েছেন। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণে বাধা পড়তে শুরু করবে। সরকারকে যে কাজটি করতে হবে, তা হলো খোলাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিক্রি বৃদ্ধি করা। গুটিকয়েক শহর এলাকায় এই কার্যক্রম চালালে হবে না, প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত খোলাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। সামনের ঈদে কোনো সিন্ডিকেট যাতে নতুন করে বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে, এ বিষয়েও সজাগ থাকতে হবে। অন্যথায় সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

advertisement