advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পদ্মা সেতু নিয়ে বিরোধিতাকারীদের খুঁজে বের করতে বললেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৭ জুন ২০২২ ১১:৫৮ পিএম
advertisement

পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। আদালত বলেন, ‘পদ্মা সেতু জাতীয় সম্পদ, জাতীয় উন্নয়ন। আমাদের অহংকার। জাতীয় স্বার্থে পদ্মা সেতু। এর বিরোধিতাকারীরা উন্নয়নের বিরুদ্ধে। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তাদের খুঁজে বের করতে হবে।’ পদ্মা সেতু নির্মাণ

advertisement 3

প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন প্রশ্নে জারি করা রুল কার্যতালিকায় এলে গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। এরপর আদালত আজ মঙ্গলবার প্রয়োজনীয় আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন। আদেশের আগে আদালত অ্যাটর্নি জেনারেল, দুদক কৌঁসুলিসহ সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর বক্তব্য শুনবেন বলে জানিয়েছেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন ও দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানিতে ছিলেন।

advertisement 4

২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ইউনূসের ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান, বিচার দাবি’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিক প্রতিবেদন ছাপা হয়। এটিসহ কয়েকটি দৈনিকের প্রতিবেদন নজরে এলে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ এ আদেশ দেন। রুলে বাংলাদেশের বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে ‘মিথ্যা গল্প সৃষ্টি’র নেপথ্যে থেকে ষড়যন্ত্রে যুক্ত প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কমিশন বা কমিটি গঠনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে তাদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়। হাইকোর্টের তখনকার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল দেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, যোগাযোগ সচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়। একই সঙ্গে এ প্রেক্ষাপটে কমিটি বা কমিশন গঠন ও কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা ৩০ দিনের মধ্যে অগ্রগতি জানাতে বলেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে এটি জানাতে বলা হয়।

পরে একই বছরের ২ আগস্ট পদ্মা সেতু আটকাতে ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করার আদেশ দেওয়ার পরও সরকারের কোনো পদক্ষেপ না দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। ওই দিন ক্ষোভ জানিয়ে হাইকোর্ট একই বছরের ৩১ আগস্টের মধ্যে তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠন করে আদালতে এই বিষয়ক প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। কিন্তু হাইকোর্টের ওই আদেশের পর বিষয়টি আর এগোয়নি। ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করতে গঠিত হয়নি কোনো কমিশন। পরে হাইকোর্টের বেঞ্চ ভেঙে যাওয়ায় স্বতঃপ্রণোদিত ওই আদেশের বিষয়ে আর শুনানি হয়নি। বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষ থেকে নজরে আনলে ফের গতকাল হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ওঠে।

advertisement