advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কালিয়াকৈরে ২০ সহস্রাধিক পরিবারে চুলা জ্বলছে না

জাতীয় বিতরণ লাইন ফেটে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
২৮ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৮ জুন ২০২২ ১২:১৪ এএম
advertisement

জাতীয় বিতরণ লাইন ফেটে যাওয়ায় শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২০ হাজার পরিবারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। রান্নাবান্না করতে না পারায় চার দিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন এসব পরিবারের মানুষ। তিতাস কর্তৃপক্ষ বলছে গ্যাসলাইন ফেটে গেছে, কাজ চলমান রয়েছে। তবে সমস্যা সমাধান হতে আরও ১৪ দিন সময় লাগবে।

advertisement 3

জানা যায়, কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, হরিণহাটি, বোর্ডমিল, পাশাগেট, সফিপুর, রতনপুর, রাখালিয়াচালা, মৌচাক, ভান্নারা বাজার, তেলিপাড়াসহ প্রায় ২০টি এলাকায় গ্যাস নেই চার দিন ধরে। এর ফলে আবাসিক এলাকার লোকজন রান্নাবান্না নিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অনেকেই গ্যাসের চুলার পাশে মাটির চুলা বসিয়ে বিকল্পভাবে রান্না করছেন। বিভিন্ন ফ্ল্যাটে যারা ভাড়া থাকেন, তাদের অনেকেই রাইস কুকার দিয়ে রান্নার কাজ করছেন।

advertisement 4

আবার সিলিন্ডার কিনে বা ভাড়া নিয়ে রান্নার কাজ সারছেন কেউ কেউ। কেরোসিনের চুলা, মাটির চুলায় বা ছাদে কাঠ জ্বালিয়ে রান্না করছেন অনেকে।

পৌর এলাকার লাভলী ভিলার মালিক সুষমা লাভলী জানান তার বাসায় ১৫ জন সদস্য। হোটেল থেকে খাবার কিনে এনে খাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘চুলা নাই, গ্যাস নাই, রান্নার জায়গা নাই। লাকড়ি পর্যন্ত পাওয়া যায় না। কেরোসিন ১২০ টাকা লিটার। এভাবে কতদিন থাকব?’

তিতাস গ্যাস চন্দ্রা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোস্তফা হোসেন বলেন, গ্যাস লাইনের সমস্যার কারণে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ২০ ইঞ্চি লাইনের কাজ আমার অফিস করতে পারবে না। টেন্ডার হয়েছে, গাজীপুর অফিস থেকে কাজটা করা হবে। আগামীকাল থেকে কাজ শুরু হবে। শেষ হতে আরও ১৪-১৫ দিন লাগতে পারে।

মেডিক্যাল অফিসার সোহেল রানা বলেন, গ্যাস না থাকায় রেস্টুরেন্টে খাবার কিনে খাচ্ছি। বাচ্চারা দুদিন হোটেলের খাবার খেয়ে অস্বস্তি বোধ করছে; কিন্তু কিছুই করার নেই। বাধ্য হয়ে এগুলো খাওয়া লাগছে।

মৌচাক এলাকার পোশাকশ্রমিক মরিয়ম খাতুন বলেন, গ্যাস না থাকায় অনেক কষ্টে আছি।

পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর খাত্তাব মোল্লা বলেন, গ্যাস লাইনে কাজ চলমান থাকায় চার দিন ধরে বন্ধ রয়েছে গ্যাস সরবরাহ। আমার ওয়ার্ডেই ২০০টির বেশি রাইজার রয়েছে, যেগুলো বন্ধ। এখানে বেশিরভাগ মানুষ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় কাজ করেন। তাদের অবস্থা আরও খারাপ।

advertisement