advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জগন্নাথপুরে সড়কে চলছে নৌকা

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
২৮ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৮ জুন ২০২২ ১২:৪২ এএম
advertisement

জগন্নাথপুরে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। বন্যার পানি থাকায় উপজেলায় এখনো সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি। জগন্নাথপুর পৌরসভা থেকে বিভিন্ন ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য এখনো মানুষ নৌকায় চলাচল করছেন। ফলে দুর্ভোগে আছেন কয়েক লাখ মানুষ। এদিকে নৌপথের নৌকা ভাড়া অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। এদিকে সাধারণ যানবাহন বন্ধ থাকার সুযোগে নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয় লোকজন। উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা পলাশ দাস বলেন, ‘রানীগঞ্জ থেকে ৪০ টাকায় অটোরিকশায় জগন্নাথপুরে আসতে পারতাম। এখন নৌকায় ১৫০ টাকা লাগছে। ছোট ছোট নৌকায় অনেক বেশি ভাড়া নিচ্ছে। এসব দেখার কেউ নেই।’

advertisement 3

উপজেলাবাসী ও উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্র জানায়, ১৭ জুন থেকে জগন্নাথপুর উপজেলায় বন্যায় তলিয়ে জগন্নাথপুর পৌরসভা ও উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন। সিলেট বিভাগীয় শহরের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান সড়ক, জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ রশিদপুর সড়ক, জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক, ঢাকার রাজধানীর সঙ্গে যাতায়াতের পাগলা-জগন্নাথপুর-রানীগঞ্জ-আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়ক। এ ছাড়া উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অভ্যন্তরীণ সব কয়টি সড়কসহ গ্রমীণ সব রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। গত ১০ দিন ধরে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল রয়েছে। ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক, জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়ক ও জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে পানি কমলেও সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হয়নি। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ সড়কগুলো ডুবে আছে এখনো।

advertisement 4

সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসান জানান, ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির কারণে ইউনিয়নের প্রায় সব কয়টি সড়ক এখনো পানির নিচে রয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে আছেন মানুষজন। যোগাযোগের জন্য এখন নৌকাই ভরসা। এর মধ্যে ভাড়াও অতিরিক্ত। চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমলেও ইউনিয়নের রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। যে কারণে জনভোগান্তি বেড়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব বলেন, বন্যা পরিস্থিতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এজন্য জনদুর্ভোগে আছেন উপজেলাবাসী।

জগন্নাথপুর উপজেলা কার্যালয়ের (এলজিইডি) প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন জানান, এখনো অধিকাংশ গ্রামীণ সড়কে পানি রয়েছে। পানি কমলে সড়কের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ শুরু হবে।

জগন্নাথপুর উপেজলা নির্বাহী অফিসার সাজিদুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না, প্রয়োজনে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

advertisement