advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘টাইগার’, ‘কালু মাস্তান’ ও ‘রাজা’কে দেখতে ভিড়

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
২৮ জুন ২০২২ ০৫:৫৫ পিএম | আপডেট: ২৮ জুন ২০২২ ০৫:৫৫ পিএম
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার ‘কালু মাস্তান’ নামের গরু। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এ ঈদ উপলক্ষে দেশের নানা প্রান্তে প্রস্তুত রয়েছে সোয়া কোটি গবাদিপশু। এর মধ্যে কিছু গবাদিপশু আলাদা করে নজর কেড়েছে। রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলাতেও ‘টাইগার’, ‘কালু মান্তান’ ও ‘রাজা মিয়া’ নামের তিনটি গরু নজর কেড়েছে। গরু তিনটি দেখতে ভিড় করছেন উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

কালুখালীর আখরজানি গ্রামে ৩৫ মণ ওজনের ‘টাইগার’ নামের একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। একই এলাকায় ২৮ মণ ওজনের ‘কালু মাস্তান’ ও ২৫ মণ ওজনের ‘রাজা’ নামের আরও দুটি গরু আছে। গরু তিনটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে উৎসুক জনতা।

advertisement

রাজবাড়ী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য মতে, জেলায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে এ বছর ৩৬ হাজার ৫৭৭টি গরু ও ছাগল প্রস্তুত করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে গরু পালনকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আখরজানি গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান ২০১৯ সালে ৭২ হাজার টাকায় একটি ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় কেনেন। গম, ভুষি, ভাত, ছোলা ও ঘাস খাইয়ে নিজের সন্তানের মতো যত্নে গরুটিকে বড় করেছেন তিনি। নাম দিয়েছেন ‘টাইগার’। যার বর্তমান ওজন ৩৫ মণ, অর্থাৎ ১ হাজার ৪০০ কেজি। এ গরুটি তিনি ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান।

একই এলাকার ফারুক খানের গরুর ওজন ২৮ মণ। তিনি গরুটির নাম রেখেছেন ‘কালু মাস্তান’। আর একই এলাকার সাবু বিশ্বাসের ২৫ মণ ওজনের গরুর নাম ‘রাজা মিয়া’। ‘টাইগার’, ‘কালু মাস্তান’ ও ‘রাজা’কে দেখতে আখরজানি গ্রামে ভিড় করছেন মানুষ।

‘টাইগার’ নামের গরুটির পালনকারী মিজানুর রহমান বলেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মেপে জানিয়েছেন এর ওজন হয়েছে ৩৫ মণ। গরুটির পেছনে এই তিন বছরে যা খরচ হয়েছে তাতে দশ লাখ টাকার কমে বিক্রি করলে লোকসান হবে। কারণ প্রতিদিন গরুটিকে কমপক্ষে ১ হাজার টাকার খাবার খাওয়াতে হয়। গরুটি বিক্রির জন্য বিভিন্ন এলাকার ব্যাবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

গরু দেখতে আসা দর্শনার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বড় গরু দেখেছি, কিন্তু এত বড় গরু আমি দেখিনি। যা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। এ সব গরুই ঈদুল আজহায় পশুর হাটের শোভা বাড়ায়। মানুষ উৎসাহ নিয়ে গরু দেখতে যায়।’

রাজবাড়ী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফজলুল হক সরদার বলেন, রাজবাড়ী জেলার খামারিদের সব প্রকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এই সময়ে কোনো প্রাণী যাতে রোগে আক্রান্ত না হয় সে জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে কর্মীরা। বাজারজাতকরণ ও প্রাণীর সুস্থতায় ঘাস চাষ প্রকল্পে আগ্রহী করে তোলা হচ্ছে।   

advertisement