advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নামাজে হেসে ফেললে আবার নামাজ পড়তে হবে কি?

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ জুলাই ২০২২ ০৩:৩৯ পিএম | আপডেট: ৫ জুলাই ২০২২ ০৩:৩৯ পিএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

নামাজের মাঝে হালকা হেসে ফেললে নামাজ কি ভেঙে যাবে? মানে অট্টহাসিও নয়, আবার মুচকি হাসিও নয়। মুখ থেকে শব্দ হয়নি, কিন্তু শ্বাস বের হয়ে আসে হালকা জোরে। আর আমি নিজেও কোনো প্রকার শব্দ শুনতে পাইনি, কিন্তু শ্বাস বের হওয়ার শব্দ পেয়েছি।

এই প্রশ্নের উত্তর হলো- নামাজ ভেঙে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো- নামাজে শব্দ করে হাসা ও কথা বলা। আর নামাজে শব্দ করে অট্টহাসি দিলে ওজুসহ ভেঙে যায়। (কানযুদ দাকায়েক : ১/১৪০)

advertisement

মুআবিয়া ইবনুল হাকাম আস সুলামি (রা.) নবমুসলিম অবস্থায় নামাজে কথা বললে রাসুল (সা.) নামাজের পর তাকে বলেন, ‘নামাজের মধ্যে কথাবার্তা ধরনের কিছু বলা যথোচিত নয়। বরং প্রয়োজনবশত তাসবিহ, তাকবির বা কোরআন পাঠ করতে হবে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৫৩৭)

নামাজে হেসে ওঠা ৩ প্রকার

নামাজে যদি হাসে, তাহলে এক্ষেত্রে তিন সুরত। যদি শুধু দাঁত খুলে, হাসির আওয়াজ একেবারেই না হয়— তাহলে নামাজও ভাঙবে না। অজুও ঠিক থাকবে। এটি মাকরুহ। (ফতওয়া আলমগিরি : ১/১২; আদ্দুররুল মুখতার : ১/১৪৫)

আর যদি এতটুকু আওয়াজ হয় যে নিজে শুনতে পারে অথবা একেবারে কাছের মানুষ শুনতে পারে, তাহলে শুধু নামাজ ভেঙে যাবে।
কিন্তু যদি এত জোরে হাসে যে, অন্যান্য লোকেরা অথবা মজলিসের লোকেরা শুনতে পারে তাহলে নামাজ এবং অজু উভয়টাই ভেঙে যাবে। (আলমগিরি : ১/১২; আদ্দুররুল মুখতার : ১/১৪৫)

এক হাদিসে এসেছে, অন্ধ এক ব্যক্তির কুপে পড়ে যাওয়ার উপক্রম দেখে নামাজে কিছু সাহাবি হেসেছিল, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন যে বা যারা হেসেছে, তারা যেনো নামাজ আবার আদায় করে। (মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক : ০২/৩৭৬)

এক বর্ণনায় এসেছে, অট্টহাসি বলা হয় যেটা নিজে ও আশেপাশের লোকেরা শুনতে পারে। (মাজমাউল আনহুর : ০১/২০)

সুতরাং সুরতে যেহেতু হাসির কোনো শব্দই হয়নি, তাই নামাজ ভেঙে যাবে না।তবে এ ধরনের কাজ মাকরুহ বলে সাব্যস্ত হবে।

advertisement