advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনে ৮ দফা নির্দেশনা জারি করল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ জুলাই ২০২২ ০৪:৩৮ পিএম | আপডেট: ৭ জুলাই ২০২২ ০৬:৩৯ পিএম
ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনে আট দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। পুরোনো ছবি
advertisement

পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন উপলক্ষে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এ ছাড়া ঈদের জামাতে অংশ নিতে হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। এসব বিষয়সহ ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন উপলক্ষে আট দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জারি করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে বর্তমানে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনে আটটি নির্দেশনা অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেগুলো হলো-

advertisement

১. আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন উপলক্ষে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না।

২. সবাইকে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে ঈদগাহে বা মসজিদে যেতে হবে।

৩. করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদ বা ঈদগাহের ওজুখানায় সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

৪. ঈদের নামাজের জামাতে যাওয়া মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে যেতে হবে। মসজিদ বা ঈদগাহে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৫. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে। এক কাতার ফাঁকা রেখে নামাজে দাঁড়াতে হবে।

৬. করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে মহান আল্লাহর দরবারে খতিব ও ইমামদের দোয়া করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

৭. খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

৮. পশু কোরবানির ক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে বলা হয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, আগামী ১০ জুলাই মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে। ঈদের দিন মুসলমানরা জামাতের সঙ্গে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেন।নামাজ শেষে যাদের ওপর কোরবানি ফরজ হয়েছে তারা পশু কোরবানি করেন।

advertisement