advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নিপুণের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

বিনোদন প্রতিবেদক
৪ আগস্ট ২০২২ ০৬:০৫ পিএম | আপডেট: ৪ আগস্ট ২০২২ ০৭:০৯ পিএম
চিত্রনায়ক ফেরদৌসকে পরিচয়পত্র দিচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ আক্তার।
advertisement

চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্যদের কার্ড বিতরণ। নতুন করে পরিচয়পত্র পাচ্ছেন সিনেমার শিল্পীরা। এরই মধ্যে সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের হাত থেকে পরিচয়পত্র নেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস, ইমন, সায়মন, চিত্রনায়িকা শাহনূরসহ অনেকে। যার ছবি ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন শিল্পীরা।

তবে এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। পরিচয়পত্রগুলোতে সাধারণ সম্পাদক পদের জায়গায় চিত্রনায়ক নিপুণ আক্তারের স্বাক্ষর তাকে হতাশ করেছে।

advertisement

আপত্তি জানিয়ে জায়েদ খান বলেন, ‘নিপুণ অবৈধভাবে স্বাক্ষর করে পরিচয়পত্র দিচ্ছেন। সে আদালত অবমাননা করেছে। এটি অন্যায়। কারণ, আদালত সাধারণ সম্পাদক পদের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রেখেছেন। আদালতের রায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি কোনো ধরনের কাজে অংশ নিচ্ছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অবশ্যই আইনি পদক্ষেপ নেব। কারণ, নিপুণ আইনের তোয়াক্কা না করে সমিতির সব ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। আমি আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুতই পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়িকা নিপুণের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। 

তবে কথা হয় সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, নিপুণের স্বাক্ষর করেছে। সে তো সকল অনুষ্ঠানেও অংশ নিচ্ছে।’ কিন্তু উচ্চ আদালতে তো পদটির কোনো সুরাহা হয়নি এখনও? এর উত্তরে কাঞ্চন বলেন, ‘আদালত থেকে তো তাকে নিষেধও করেনি। এটা আপনারা আদালতের কাছে জানতে চান।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচন। সেখানে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় পান চিত্রনায়ক জায়েদ খান। অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিপুণ আক্তার।

পরবর্তীতে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ তোলেন নিপুণ। তারই প্রেক্ষিতে তুলে ৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। তার পরিবর্তে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চিত্রনায়িকা নিপুণকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী দেখানো হয়।

এর দু’দিন পর নির্বাচনি আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন জায়েদ খান। পরদিন সেই রিটের শুনানি শেষে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে জায়েদ খানকে তার পদে বহাল থাকার আদেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেন।

পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে গত ৮ ফেব্রুয়ারি আপিল আবেদন জানান নিপুণ আক্তার। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে শুনানির পর ৯ ফেব্রুয়ারি সাধারণ সম্পাদক পদের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। এই বিষয়টি এখনো আদালতে বিচারাধীন।

advertisement