advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’, বাচ্চা নিয়ে পালিয়েছেন স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ি

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
৫ আগস্ট ২০২২ ০৮:২২ পিএম | আপডেট: ৫ আগস্ট ২০২২ ০৯:১২ পিএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

রাজবাড়ীর পাংশায় গৃহবধূ বন্যার মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার বন্যা গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রচার করার পর স্বামী সানোয়ার মণ্ডল, শ্বশুর বাটুল মণ্ডল, শাশুড়ি রহিমা খাতুন বন্যার ২ বছরের বাচ্চা নিয়ে পলাতক রয়েছেন।

জানা যায়, প্রায় ৪-৫ বছর আগে উপজেলার বাবুপাড়া ইউনিয়নের ব্রহ্মপুর গ্রামের বাটুল আলী মণ্ডলের ছেলে সানোয়ারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বন্যার বিয়ে হয়। বিয়ের পর সংসারের বিভিন্ন ছোটখাটো বিষয়কে কেন্দ্র করে বন্যা ও তার বাবার বাড়ির উদ্দেশে সানোয়ার, বাটুল, রহিমা খাতুন গালিগালাজ করাসহ মারধর করতেন। 

advertisement

বন্যার বাবা আবেদ আলী শেখ বলেন, ‘সানোয়ারসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজনের যোগসাজশে গত বুধবার গভীর রাতে বন্যাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছে।’ 

বন্যার মা ফুলি খাতুন বলেন, ‘মেয়ের ভালো-মন্দের খবর শুনে আমরা মেয়ের বাড়ি আসলে জামাই সানোয়ার আমাদেরকে অপমান করত। ৪-৫ দিন আগেও বন্যাকে সানোয়ার মারধর করে। ওই দিন রাতেও সানোয়ার, বন্যার শাশুড়ি, শ্বশুর বন্যাকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলছে।’ 

তিনি বলেন, ‘রাত আড়াই টার দিকে বন্যার স্বামী ফোন করে বলে, আপনাদের মেয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে মারা গেছে। সকালে এসে দেখি ঘরের বারান্দায় লাশ পড়ে আছে। সনোয়ারসহ বাড়ির সবাই বন্যার কোলের বাচ্চা নিয়ে পালিয়ে গেছে।’

সানোয়ারসহ বাড়ির লোকজন পলাতক থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

পাংশা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে বন্যার বাবা আবেদ আলী শেখ পাংশা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। যদি হত্যা হয় তাহলে মামলা নথিভুক্ত করা হবে।’ 

advertisement