advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আহত আয়াতের মৃত্যু

চট্টগ্রাম ব্যুরো ও হাটহাজারী প্রতিনিধি
৬ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৬ আগস্ট ২০২২ ১২:৩৪ এএম
advertisement

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের খৈয়াছড়া লেভেল ক্রসিংয়ে মহানগর প্রভাতী ট্রেনের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে আহত এক শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় এখন নিহেতর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। আগে ঘটনাস্থলেই ১১ জন মারা যান। গতকাল শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিক্ষার্থী মারা যান।

advertisement

মারা যাওয়া শিক্ষার্থীর নাম-আয়াতুল ইসলাম আয়াত (১৭)। তার বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার আমান বাজার এলাকার যুগীর হাট। পিতার নাম-আবদুস শুক্কুর। আয়াতের খালা নীলু আক্তার বলেন, আয়াতের এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। গত শুক্রবার দুর্ঘটনার পর থেকে সে আইসিইউতে ভর্তি ছিল।

চমেক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এসএম নোমান খালেদ চৌধুরী বলেন, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালের ভর্তির পরের দিনই তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

তার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০ নিচে নেমে গিয়েছিল। এ ছাড়া দুর্ঘটনার সময় তার মাথায় ও ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পায়। দিন দিন শারীরিক অবনতির কারণে তার জ্ঞান ফেরেনি। আজ দুপুরে আয়াত না ফেরার দেশে চলে যায়।

গত ২৯ জুলাই দুপুরে খৈয়াছড়া লেভেল ক্রসিংয়ে উঠে পড়া আয়াতদের বহনকারী মাইক্রোবাসকে ঠেলে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় আন্তঃনগর মহানগর প্রভাতী ট্রেন। ওই মাইক্রোবাসেই সকালে হাটহাজারীরে ‘আর অ্যান্ড জে’ কোচিং সেন্টার থেকে খৈয়াছড়ায় বেড়াতে গিয়েছিলেন ১৬ শিক্ষার্থী। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে ওই পিকনিকে চালক ও সহকারীসহ ১৮ জন ছিলেন। ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া গাড়িতেই ১১ জনের মৃত্যু হয়। আহত ছয়জনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

advertisement