advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রস্তুত রয়েছে উত্তর কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৬ আগস্ট ২০২২ ০১:১১ এএম
advertisement

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে উত্তর কোরিয়া আরও বেশি করে পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত রেখেছে তারা। জাতিসংঘের গোপন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

advertisement

রয়টার্স জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কমিটিতে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন নিষেধাজ্ঞাবিষয়ক পর্যবেক্ষকরা।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, পুংগিরি পারমাণবিক পরীক্ষাকেন্দ্রে কাজ করার মধ্য দিয়ে অতিরিক্ত পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পথ তৈরি হয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়নে এসব পরীক্ষা চালানো হয়।

পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া নিয়ে উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকরা বলছেন, উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত রেখেছে, যদিও তারা কোনো পারমাণবিক যন্ত্রের পরীক্ষা চালায়নি। ২০২২ সালের প্রথম অর্ধেকে দেশটি ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ক্রমাগত বাড়িয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ব্যালিস্টিক ও গাইডেন্স টেকনোলজির সমন্বয়ে ৩১টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং দুটি স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ছিল। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উত্তর কোরীয় মিশন এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি।যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছে যে উত্তর কোরিয়া সপ্তম পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর মতো প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। আর তা করা হলে উত্তর কোরিয়ায় নিষেধাজ্ঞা কঠোর করতে আবারও জাতিসংঘকে চাপ দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়ে রেখেছে ওয়াশিংটন।

জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকরা আরও বলেছেন, অন্তত একটি বড় ধরনের হ্যাকিংয়ের ঘটনায় লাখ লাখ ডলার মূল্যের ক্রিপ্টো অ্যাসেট (ডিজিটাল সম্পদ) চুরি করেছে পিয়ংইয়ং। এর আগেও পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে তহবিল জোগাতে সাইবার হামলা চালানোর জন্য উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করেছিলেন পর্যবেক্ষকরা।

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া অবৈধভাবে তেল আমদানি ও কয়লা রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন পর্যবেক্ষকরা।

পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতে উত্তর কোরিয়াকে রাজি করানো নিয়ে যে আন্তর্জাতিক আলোচনা শুরু হয়েছিল, তা ২০১৯ সাল থেকে স্থবির হয়ে আছে।

মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে উত্তর কোরিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চাপ দিচ্ছে চীন ও রাশিয়া। তাদের আশা, পিয়ংইয়ংকে আলোচনার টেবিলে ফেরানো যাবে।

advertisement