advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জুলাই মাসে সড়কে নিহত ৭৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ আগস্ট ২০২২ ০৩:৪৯ পিএম | আপডেট: ৬ আগস্ট ২০২২ ০৬:৩০ পিএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

দেশে গত জুলাই মাসে সড়কে ঝরেছে ৭৩৯ প্রাণ। ৬৩২টি সড়ক দুর্ঘটনায় এসব মানুষ নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও ২ হাজার ৪২ জন। আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রেড সেফটি ফাউন্ডেশন। দেশের শীর্ষ ৯টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংগঠনটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬৩২টি দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৯৮টি। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২৫১ জন; যা মোট নিহতের ৩৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৭ দশমিক ১৫ শতাংশ।

advertisement

সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের সই করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১০৫ জন নারী ও ১০৯ জন শিশু। এদের মধ্যে ১১৮ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ১৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছে ১৩৭ জন, অর্থাৎ ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

একই সময়ে ১৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং সাত জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৬টি রেলপথ দুর্ঘটনায় (রেলক্রসিং দুর্ঘটনাসহ) ৪১ জন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছে।

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ২৫১ জন (৩৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ), বাস যাত্রী ৬১ জন (৮ দশমিক ২৫ শতাংশ), ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি আরোহী ৫৫ জন (৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ), মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার যাত্রী ৫৭ জন (৭ দশমিক ৭১ শতাংশ), থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা-মিশুক) ১৪৯ জন (২০ দশমিক ১৬ শতাংশ), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-চান্দেরগাড়ি-মাহিন্দ্র-টমটম) ২৬ জন (৩ দশমিক ৫১ শতাংশ) এবং বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-প্যাডেল ভ্যান আরোহী ২২ জন (২ দশমিক ৯৭ শতাংশ) নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশ

দুর্ঘটনা রোধে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে রেড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংগঠনটি বলছে, দুর্ঘটনা রোধে দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বাড়াতে হবে; চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে; বিআরটিএ’র সক্ষমতা বাড়াতে হবে; পরিবহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে।’

এছাড়া গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ; রেল ও নৌ-পথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে সড়ক পথের ওপর চাপ কমানো; টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ বাধাহীনভাবে প্রয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।

advertisement