advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড
প্রতিরোধকারীদের পুনর্বাসনে কমিশন কেন নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৮ আগস্ট ২০২২ ১২:০৮ এএম
advertisement

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যার পর কিছু মানুষ সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তাদের চিহ্নিত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে ও পুনর্বাসনে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি/কমিশন কেন গঠন করা হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল রবিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবীরের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

advertisement 3

আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজকল্যাণ সচিব, সংস্কৃতি সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব

advertisement 4

দিতে বলা হয়েছে। নেত্রকোনার আনিস খোন্দকার, সাইদুল কাদির, সুনামগঞ্জের ইউসুফ আলী, পরিমল সরকার ও গাজীপুরের স্বপন চন্দ গত ১ আগস্ট ওই রিট করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. বাকির উদ্দিন ভূঁইয়া। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. আবু হানিফ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদেশের পর অ্যাডভোকেট বাকির বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়। তৎকালীন সামরিক সরকার মিছিল-মিটিং সব বন্ধ করে দেয়। ওই দিনই কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, খুলনা, যশোর, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে জাতীয় মুক্তিবাহিনী ও চট্টগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে জাতীয় মুজিব বাহিনী নামে দুটি সশস্ত্র প্রতিরোধ বাহিনী গঠিত হয়। তখন কয়েক হাজার বঙ্গবন্ধুভক্ত ছাত্র-তরুণ-যুবক এ দুই বাহিনীতে যোগ দেন। তারা তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহে লিপ্ত হন। এ কারণে তৎকালীন সরকার তাদের ওপর জুলুম-নির্যাতন শুরু করে। ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর সরকার এ দুই বাহিনীকে নানাভাবে সহযোগিতা করত। কিন্তু ১৯৭৭ সালে মোরারজি দেশাইয়ের নেতৃত্বাধীন জাতীয় মোর্চা সরকার বাহিনী দুটির সদস্যদের বিডিআরের কাছে হস্তান্তর করলে তাদের জীবনে নেমে আসে চরম দুর্দিন, জেল, জুলুম ও নির্যাতন।

আইনজীবী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ৪৭ বছর পার হলেও এখনো সেই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। তাদের অনেকেই চরম কষ্টে জীবনযাপন করছেন। এ কারণে রিট করা হয়।

advertisement