advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দাম ও গোলকধাঁধা একই সঙ্গে বাড়ল কি

ড. কাজল রশীদ শাহীন
৯ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৯ আগস্ট ২০২২ ০৯:৪০ এএম
advertisement

জ্বালানি তেলের রেকর্ড পরিমাণ দাম বৃদ্ধি শনিবার থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৪২ থেকে ৫২ শতাংশ। লিটার প্রতি ৮০ থেকে ১১৪ টাকা করা হয়েছে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম। দাম বৃদ্ধির এই হার প্রায় ৪২ শতাংশ। প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৮৬ থেকে ১৩০ টাকা এবং অকটেনের দাম ৮৯ থেকে করা হয়েছে ১৩৫ টাকা। এ ক্ষেত্রে পেট্রল ও অকটেনের মূল্যবৃদ্ধির হার ৫০ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

জ্বালানি এমন একটা বিষয় যার সঙ্গে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সবকিছু নিবিড়ভাবে জড়িত। ফলে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়া মানেই সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়া। এ ক্ষেত্রে সবার থেকে এগিয়ে রয়েছে বাস মালিক সমিতি। তাদের সম্পর্কে জনগণের মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে তা বোঝার সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

advertisement 3

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা শুক্রবার রাতে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবার অনুমান ছিল, কাল ইচ্ছা করেই বাস মালিক সমিতি রাস্তায় গাড়ি কম নামাবে। ব্যাপারটাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাবে, যাতে মনে হবে হরতালও না, আবার হরতালও। বাস্তবে পরের দিন তেমনটাই হয়েছে এবং বাস ভাড়া বেড়েছে। অভিজ্ঞতা বলে, প্রতিবারই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হলে সবার আগে বেড়ে যায় বাস ভাড়া এবং সেটা যেভাবে বাড়ানো যৌক্তিক তার চেয়ে বেশিই বাড়ানো হয়। অথচ বাস মালিক সমিতি যাত্রীসাধারণের সুযোগ-সুবিধা উন্নত ও নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার পদক্ষেপ নেন বলে আজ অবধি নজির মেলেনি।

advertisement 4

এবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বাস ভাড়াও। বাস মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ যৌথভাবেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। দূরপাল্লার বাসে ২২ শতাংশ এবং ঢাকায় ১৬ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই অনুযায়ী, মহানগরে প্রতি কিলোমিটার বাস ভাড়া বাড়বে ৩৫ পয়সা এবং দূরপাল্লার বাসে ভাড়া বাড়বে কিলোমিটার প্রতি ৪০ পয়সা। নতুন নিয়মানুযায়ী, ঢাকা শহরে প্রতি কিলোমিটার বাস ভাড়া হবে দুই টাকা পঞ্চাশ পয়সা এবং সর্বনিম্ন বাস ভাড়া হবে দশ টাকা। দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া হবে দুই টাকা ২০ পয়সা।

বাস ভাড়া যেহেতু বেড়ে গেছে সেহেতু জ¦ালানি তেলের দাম বৃদ্ধির আঁচ পড়বে সর্বত্র। কিছুদিন আগে বেড়েছে গ্যাসের দাম। এবং সেই সময় পাল্লা দিয়ে, ক্ষেত্রবিশেষে সেই তুলনায় সবকিছুর দাম অনেক বেশি বেড়ে আকাশচুম্বী হয়েছে। মুনাফাই যাদের ধ্যানজ্ঞান এ রকম কিছু ব্যবসায়ী শুধু দামই বাড়ায়নি, কিছু জিনিসের আকৃতিও ছোট করে এনেছে এবং ওজনে কম দেওয়ার সুযোগ নিচ্ছে। আমাদের বাজার তদারকি ব্যবস্থা যেহেতু সক্রিয় নয়, আবার যেটুকু আছে তাও খুব দুর্বল। ফলে এ ধরনের মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা যা ইচ্ছে তাই করতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বাস ভাড়া বৃদ্ধিকে সরকারিভাবেই কার্যকর করে নিল বাস মালিক সমিতি। এখন ডিজেল ব্যবহার করে যে কৃষক, তার সেচকাজে অপরিহার্য বলে। সেই কৃষক ডিজেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কি তার উৎপাদিত জিনিসের দাম বৃদ্ধির সুযোগ পাবে? সরকার কি ন্যায্যতার প্রশ্নে কৃষকের ধানের দাম বাড়াবে সেভাবে? আলু, শাকসবজি, পেঁয়াজ-রসুনের দাম কি নিশ্চিত করা হবে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে সামনে রেখে? এসবের কোনো কিছুরই দাম বৃদ্ধি ঘটবে তো নয়, উপরন্তু কমে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। কেননা এখানে দিনের পর দিন কৃষক তার উৎপাদিত জিনিসের ন্যায্য দামের জন্য আর্তি জানালেও তার বাস্তবায়ন হয়নি কোনো সরকারের আমলেই।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি যেমন ঘটেছে, তেমনি এই দাম বৃদ্ধির ঘটনায় কিছু গোলকধাঁধারও সৃষ্টি হয়েছে। একে তো দাম বৃদ্ধি, তার পর যদি এ রকম গোলকধাঁধা-অস্পষ্টতা-ধোঁয়াশাচ্ছন্ন বাস্তবতা দেখতে হয় তা হলে তো জনগণের জন্য উদ্ভুত বিষয়টা ‘বোঝার ওপর শাকের আঁটিবিশেষ’ এবং বড়ই হতাশা ও কষ্টকরও বটে।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সময়েই গুঞ্জরণ ছিল জ¦ালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হবে। সেই সঙ্গে এটাও বেশ জোরেশোরেই উচ্চারিত হচ্ছিল যে, জ্বালানি তেলের সংকট রয়েছে। এর মধ্যেই সারাদেশে ঘোষণা দিয়ে কার্যকর করা হয়েছে ডেইলি লোডশেডিং। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য নেওয়া হয় নানাবিধ উদ্যোগ। এমনকি শপিংমলসহ অন্যান্য দোকানপাট রাত আটটার পর বন্ধ করতে আরোপ করা হয় কড়া বিধিনিষেধ। এসবই ছিল ডিজেলের ব্যবহার যথাসম্ভব কমিয়ে আনার লক্ষ্যে। ঘোষণা দিয়ে বলা হয়েছিল, ডিজেলচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করা হয়েছে বলেই এতকিছু করা হচ্ছে। অথচ জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি যখন করা হলো তখন শুধু ডিজেলের দামই বাড়ল না, অন্যগুলোও বাড়ল এবং ডিজেল ৪২ শতাংশ বাড়লেও অন্যগুলো বেড়েছে ৫০ শতাংশেরও বেশি। আবার দাম বৃদ্ধির আগেই রেশনিং ব্যবস্থা কার্যকর করার চেষ্টাও দেখা গেছে।

গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, রাজধানীর একটি পেট্রল পাম্পে একটি নোটিশ টানানো হয়েছে- যাতে লেখা রয়েছে ‘জ্বালানি ব্যবহার সাশ্রয়ের নিমিত্তে মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকার অকটেন এবং গাড়িতে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকার অকটেন/ডিজেল দেওয়া যাবে।’ এ নিয়ে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফিলিং স্টেশনগুলোকে চাহিদার তুলনায় কম পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল দিচ্ছে।

পরের দিন বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, গ্রাহকদের তেল কম দেওয়ার ব্যাপারে পেট্রল পাম্পগুলোয় কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘জ্বালানি তেলের আমদানি মজুদ করা, সরবরাহ করার প্রক্রিয়াগুলো স্বাভাবিকভাবে চলমান রয়েছে। আগামী ছয় মাস এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া চলবে। যে পরিমাণ মজুদ রয়েছে, তা নিয়ে আশঙ্কা করার বা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’

প্রশ্ন হলো, বিপিসির নির্দেশনা ছাড়া কোনো ফিলিং স্টেশন কি এ রকম ঘোষণা দিতে পারে? যদি দিয়েও থাকে তার বিরুদ্ধে কি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভোক্তা সেটা পরিষ্কারভাবে জানতে পারবে?

সরকার জ্বালানি তেলে সংকট নিয়ে যাই-ই বলুক না কেন, এ নিয়ে আস্থার সংকট রয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সংকট রয়েছে এবং পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগের দিকে যাচ্ছে এবং এই সংকট আগামীতে আরও বাড়বে।

সরকার যে ডিজেলের ব্যবহার কমানোর ওপর জোর দিয়েছে, সেটা সংকটের মুখে পড়েই। দেশে ডিজেলের ব্যবহার যে কোনো তেলের তুলনায় অনেক বেশি। প্রতিবছর প্রায় ৫০ লাখ টন ডিজেল আমদানি করতে হয়।

সরকার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এমন একটা সময়ে করল, যখন নানাবিধ কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। দুই বছরের করোনার ধাক্কা পেরিয়ে কেবলই শুরু হয়েছে একটু স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং সব ক্ষেত্রে শুরু হয়েছে করোনাকালের ক্ষতি ও সর্বনাশ পুষিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা ঠিক তখনই রাশিয়া আক্রমণ করে বসে ইউক্রেনে। মারাত্মকভাবে হোঁচট খায় সাধারণ মানুষ, বাড়তে থাকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। এই অবস্থায় বাড়ানো হয় গ্যাসের দাম। এবং এরই ধারাবাহিকতায় বৃদ্ধি হলো জ¦ালানি তেলে দাম।

সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন সরকার আইএমএফ থেকে যে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করছে তার অংশ হিসেবে, আলোচনা শুরুর আগেই তাদের চাওয়া পূরণ করে বাধামুক্ত থাকতে চেয়েছে। কিন্তু সেটা নিয়েও পরিষ্কার কোনো বক্তব্য নেই। বাস্তবিকই যদি এমনটা করা হয়ে থাকে, তা হলে সেটাও পরিষ্কারভাবে জনগণকে অবহিত করা প্রয়োজন। তা না হলে জনগণের মধ্যে গোলকধাঁধা বাড়বে।

কয়েক মাস ধরে আমাদের ঘাড়ের ওপর দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলছে  সম্প্রতি দেউলিয়া হওয়া রাষ্ট্র শ্রীলংকা। একটা দেশ কীভাবে দেউলিয়া হয় এবং হলে তার পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা বিশ্বের সবাইকে আক্ষরিক অর্থেই দেখিয়ে দিল দ্বীপরাষ্ট্রটি। আমরা দক্ষিণ এশীয় হিসেবে হয়তো পরিস্থিতিটা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাচ্ছি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আফগানিস্তান-পাকিস্তানের পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে আইএমএফের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আগেভাগে ঋণ নিয়ে সরকার সংশয়মুক্ত থাকতে চাচ্ছে, যাতে কোনোভাবেই শ্রীলংকার দীর্ঘশ্বাসের এখানে না পড়ে। বাস্তবিকই এতদ্বিধ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এসব করা হয়ে থাকে, তা হলে সেটাও জনগণের কাছে পরিষ্কারভাবে জানানো দরকার।

এমনিতেই দেশের জনগণ নানা পীড়ন ও দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে মধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক মানুষ চোখে শর্ষে ফুল দেখছে। কেননা দাম বৃদ্ধি যদি ৫ টাকার হয়, সেটা প্রভাবে বাজারের অন্যান্য জিনিসের দাম বেড়ে হয় ১৫ টাকা। খাবার থেকে শুরু করে ওষুধ সবকিছুতেই এই নৈরাজ্য বিরাজমান। তেলে দাম বাড়লে, তেল ছাড়া যেসব জিনিস তৈরি হয়- তারাও মুনাফা করার জুতসই মওকা পেয়ে যায়। এর সবটাই হয় দুর্বল বাজার তদারকি ব্যবস্থার কারণেই। এ কারণে সয়াবিনের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়ে গেলে, আমাদের দেশে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সেই তুলনায় বেশিই বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে কমে গেলে সেই সমপরিমাণ কখনই কমানো হয় না। বড় পার্থক্য হলো, সান্ত¡না হিসেবে দুই-এক টাকা কমানো হয়, কিন্তু সেটা কার্যকর হওয়া আর সোনার হরিণ ধরতে পাওয়া একই কথা।

জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে দাম কমানো-বাড়ানো আর আন্তর্জাতিক বাজারের উদাহরণ রীতিমতো রূপকথার গল্পে পরিণত হয়েছে। কেননা কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কম থাকলেও আমাদের এখানে বেশি দামই কার্যকর ছিল। যুক্তি হিসেবে দেখানো হয়েছিল, পূর্বেকার লোকসান কমিয়ে আনা। ভোক্তারা কিন্তু কোনো প্রকার উচ্চবাচ্য ব্যতিরেকে সেটা মেনেও নিয়েছিল। এখন জানা যাচ্ছে, সেই সময় লোকসান কমানো নয়, বিপিসি মুনাফা করেছিল কয়েক হাজার কোটি টাকা। তা হলে এখন কেন তারা দাম বৃদ্ধিকে আমলে নিয়ে এতদিনের মুনাফা থেকে সমন্বয় করছে না? কারণ সেই টাকা বিপিসির কাছে নেই, সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। ফলে বিপিসির এখন কিছুই করার নেই। লক্ষণীয়, জ্বালানির রেকর্ড পরিমাণ দাম বৃদ্ধি করেছে মন্ত্রণালয়। অথচ এটা করার ন্যায্য অধিকার বিপিসির।

সবচেয়ে বড় গোলকধাঁধা হলো, আন্তর্জাতিক বাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম ক্রমাগত কমছে, তখন দেশে রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি করা হলো। অথচ অঙ্কের হিসাব ও এতদিনের অভিজ্ঞতা মোতাবেক তো দাম কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে হলো তার উল্টো। কারণ হলো, সরকার জ্বালানি তেল থেকে সব ধরনের ভর্তুকি উঠিয়ে নিয়েছে। ফলে দাম না কমে রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। এসব বিষয়ও জনগণকে পরিষ্কার করে জানানো দরকার। তা হলে নাভিশ্বাস অবস্থা হলেও পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হওয়ার সুযোগ তো পায়, আমজনতার এই সান্ত¡নাটুকু পাওয়ার অধিকার রয়েছে নিশ্চয়?

 

ড. কাজল রশীদ শাহীন : সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও গবেষক

advertisement