advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘তোমাকে ধন্যবাদ, আমাকে ঠিকঠাক সাইজ করার জন্য’

বিনোদন প্রতিবেদক
৯ আগস্ট ২০২২ ০১:৫৮ পিএম | আপডেট: ৯ আগস্ট ২০২২ ০৫:৫৮ পিএম
নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা ঘটনার ছায়া অবলম্বনে ‘শনিবার বিকেল’ নামে একটি সিনেমা বানিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ২০১৯ সালের মাঝামাঝিতে এই সিনেমার কাজ শেষ করেন তিনি। যেখানে প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন-নির্মাতার স্ত্রী জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা ও জাহিদ হাসান।

ইতিমধ্যেই সিনেমাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রদর্শিত হয়ে প্রশংসার পাশাপাশি পেয়েছেন সম্মাননাও। তবে দেশে এখনো সেন্সর বোর্ডের চৌকাঠ পেরুতে পারেনি ‘শনিবার বিকেল’। বরং সেন্সর বোর্ড একে নিষিদ্ধ করে দেয়। ইতিমধ্যেই নির্মাতা জানান, ‘অদৃশ্য’ কারণে সিনেমাটি এখনো বাংলাদেশে মুক্তি পায়নি।

advertisement 3

গতকাল ‘শনিবার বিকেল’ নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বরাবর খোলা চিঠি দিয়েছে এর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। এবার আবারও সিনেমাটি নিয়ে কথা বলেছেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

advertisement 4

তার ভাষ্য, ‘আমার কত রাত গেছে অনিদ্রায়। কতদিন গেছে ক্ষমতাবানদের দুয়ারে হাত মুছতে মুছতে। কত দুপুর গেছে রাগে অন্ধ হয়ে। কত বছর গেছে নিজের চিৎকার নিজেই গিলে ফেলে। ধন্যবাদ, হে রাষ্ট্র! ফিল্ম মেকিংয়ের চেয়ে বড় কোনো অপরাধ তো আর নাই। সুতরাং ঠিকই আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তোমাকে ধন্যবাদ, আমাকে ঠিকঠাক সাইজ করার জন্য। “ব্যাচেলর”র সময় তুমি ভাবছো আমার ছবি সমাজ নষ্ট করে ফেলবে! মেড ইন বাংলাদেশে ভাবছো এই ছবি দেশ ধ্বংস করবে! সুতরাং দেড় বছর সেন্সর জেলে রাখছো! ঠিকই আছে। থার্ড পারসন সিঙ্গুলারের (থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার) জন্য সেন্সরের জেলটা একটু বোধ হয় কম হয়ে গেছিল। অপরাধ বিবেচনায় ওই ছবি আটকে রাখা উচিত ছিল তিন বছর। যাই হোক “শনিবার বিকেল”-এ সেটা পুষিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। উঠতে বসতে এভাবে পিটিয়ে ছাল তোলার জন্য কৃতজ্ঞ।’

কিন্তু এইভাবে বোধ হয় পুরোপুরি হবে না। কারণ একটা ছবি ভাবা হয়ে গেলে তো সেটা দুনিয়াতে এগজিস্ট করে গেল। বানানো হলে তো আরও শক্তভাবে এগজিস্ট করলো। আজ হোক, কাল হোক সেটা তো দেখে ফেলবে মানুষ। তাই বলি কি এমন কিছু একটা করো যাতে ভাবনাটাও বন্ধ করে দেওয়া যায়। এমন ওষুধ আবিষ্কার করো, হে রাষ্ট্র, যাতে কারও মনে ক্ষোভ জন্ম না নেয়! কারণ সম্মিলিত ক্ষোভের চেয়ে বিধ্বংসী কোনো অস্ত্র নাই! আরও খেয়াল রাখতে হবে ক্রমাগত চাপে এই ক্ষোভ যেনো ঘৃণায় রুপ না নেয়। কারণ কে না জানে ঘৃণার চেয়ে বড় কোনো মারণাস্ত্র নাই।’

advertisement