advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পঞ্চগড়ে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ
সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে

১১ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২২ ০১:১৬ এএম
advertisement

দেশের নানা স্থানে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও নারী-শিশুরা দুর্বৃত্তের অস্ত্রের মুখে, প্রতারণা বা ফাঁদে পড়ে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। নারীর সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও সুষ্ঠু বিচার না পাওয়ার কারণে ধর্ষণের সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলছে। গত মঙ্গলবার আমাদের সময়ের সংবাদ সূত্র জানা গেছে, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় প্রতারক প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। স্থানীয় একটি জঙ্গলে প্রেমিকের হাতে ধর্ষণের পর আরও ছয়জন তাকে ধর্ষণ করে। মানুষ কতটা অমানবিক হলে এমন কাজ করতে পারে!

advertisement 3

মানুষ অপরাধ করে ক্রমেই ক্ষমতার দাপটে পার পেয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে নারীর সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও সুষ্ঠু বিচার না পাওয়ার কারণে ধর্ষণের সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলছে। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই, দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি এ ধরনের অপরাধ প্রশমনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তবে এই মানসিকতার মূলোৎপাটন করতে হলে সমাজে লিঙ্গসাম্য প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এ ছাড়া নারীর প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গিও পাল্টাতে হবে। এ কাজে শিক্ষাঙ্গনকেই প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিতে হবে। সঠিক শিক্ষা ও সংস্কৃতিচর্চা এবং সর্বত্র নারীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার ওপর এমন উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করবে। সরকারের নীতি ও কার্যক্রমের মাধ্যমে এ বার্তাটি সবার কাছে পৌঁছানো দরকার যে, জাতি নারীর প্রতি সহিংসতা এবং বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর। এই নীতি ও আদর্শ অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন থেকে যাবতীয় কার্যক্রম গৃহীত হলে সঠিক লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

advertisement 4

সাম্প্রতিককালে নারীর প্রতি যেসব জঘন্য অপরাধ ও সহিংসতা ঘটেছে, তা দ্রুত বিচার আদালতে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা হবে। যত ক্ষমতাবানই হোক, সব অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার। ধর্ষণের প্রতি জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে শুধু সরকারকে নয়, গোটা সমাজকে। ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংস আচরণের বিরুদ্ধে সমাজের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। আমরা চাই, নির্যাতিতার পাশে সরকার থাকবে। অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

advertisement