advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘এখনো স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে’

সাক্ষাৎকার

তারেক আনন্দ
১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২২ ১২:১২ এএম
advertisement

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী কুমার শানুর সঙ্গে দ্বৈতগানে কণ্ঠ দিলেন বেলি আফরোজ। মুম্বাইয়ের একটি স্টুডিওতে শুক্রবার এই গানের রেকর্ড সম্পন্ন হয়। লাদাখে মিউজিক ভিডিওর শুটিং শেষ করে বেলি ফিরবেন ঢাকায়। পল্লব গৌতমের কথা ও সুরে গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করবেন এমএইচ রিজভী। শুক্রবার রাতে কথা হয় বেলির সঙ্গে। তার স্বপ্নপূরণের গানটি নিয়ে বলেছেন অনেক কথা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- তারেক আনন্দ

কুমার শানুর সঙ্গে গান গাইলেন। এই স্বপ্নপূরণের সুযোগটি এলো কীভাবে?

advertisement

গানটি নিয়ে অনেক দিন ধরে গৌতম দার সঙ্গে সরাসরি কথা বলছিলাম। গত মাসে আমার ভয়েস দেওয়ার কথা ছিল। শানুজি ভয়েস দিতে পারেননি তার ব্যস্ততার কারণে। এ মাসেই হুট করে ডিসিশন হলো। আমি চলে এলাম।

advertisement 4

গাওয়ার পর কেমন লাগছে?

কুমার শানু। এই নামটা আমার ছোটবেলা থেকেই অন্তরে গেঁথে আছে। তার সঙ্গে গান করব! এখনও স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। একটি স্বপ্নপূরণ হলো। নব্বই দশক থেকে তার গান শুনতে শুনতে বড় হয়েছি। শুধু আমি না, আমাদের দেশে ওনার ভক্তের অভাব নেই। শানুজি আজকেও যখন গাইছিল, সেই নব্বইয়ের ফিলটাই পাচ্ছিলাম। শানুজির ছোটবেলা থেকেই বিরাট একজন ফ্যান আমি। এটা আসলে ভাগ্যে মিলে গেছে।

সামনে থেকে দেখার পর কেমন অনুভূতি হচ্ছিল আপনার?

আমি প্রথমে ভেবেছিলাম তিনি আমার সঙ্গে গাইবেন না! এটাই সত্যি কথা। কারণ আমার মতো শিল্পী মুম্বাই শহরে ভূরি ভূরি। হয়তো আমার দেশে আমি চেনা, পরিচিত। এই দেশে আমি একজন নতুন মুখ, অচেনা মুখ। আমায় কেউ চেনে না, জানে না। প্রথমে তিনিই ভয়েস দিয়েছেন। আমি গাওয়ার পর তিনি আমাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। শানুজি ভয়েস দেওয়ার সময় আমি একদম চুপচাপ ছিলাম। উনি খুব দ্রুত ভয়েস দিলেন। এক টেকেই ভয়েস দেওয়া শেষ হয়ে যায়! উনি যখন প্রথমেই ঢুকলেন, তখন আমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনি এসে যখন বললেন বাংলাদেশ থেকে একজন আর্টিস্ট এসেছে, কই সে? উনি এসেই আমার খোঁজ নেওয়া শুরু করলেন। এটা শুনে আমার মন ভালো হয়ে গেল। অনুভূতি ছিল দুর্দান্ত।

গাওয়ার আগে তিনি কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন?

ওনার কাছে একটা বিষয় শিখলাম। গানটা তিনি খুব ভালোভাবে নিলেন। প্রথমেই উনি স্থায়ীটা একবার, দুবার করতে করতে বেশ কয়েকবার নিজে নিজেই গাইলেন। প্রথমে মুখটা শুধু ভালোভাবে মাথায় নিয়ে স্টুডিওতে ঢুকলেন। এর পর আবার এসে বসলেন অন্তরা নিয়ে। এসব ছিল শেখার মতো।

আপনার গায়কী শুনে তিনি কী বললেন?

গানে আমার হাইস্কেল ছিল। তো, সেই জায়গায় যখন আমি খালি গলায় গাচ্ছিলাম, তখন তিনি বাহ! বাহ! এক্সিলেন্ট বলছিলেন। এগুলো শুনে শুনে আমার গায়কীর স্পিড যেন বেড়ে গেল। প্রথম প্রথম ভয় লাগছিল। দুই-একটা লাইন চাপা গলায় গাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমার মনে হলো, না আমি কাজ করতে এসেছি, ভয় পেলে তো চলবে না, ভালোভাবে গাইতেই হবে আমাকে। পরে একদম প্রাণখুলে গেয়েছি। গানটা বাংলা গান, শুধু দুটি শব্দ হিন্দি উচ্চারণ হয়েছে।

কুমার শানু বাংলাদেশের অনেক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে কী বললেন তিনি?

বাংলাদেশের অনেক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। আমাদের দেশ সম্পর্কে, বিশেষ করে আমাদের দেশের অনেক অডিয়েন্স আছে তার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শ্রোতারা আমার গান শোনে। অনেক ভক্ত আছে। এটাও বলেছেন কনসার্ট হলে তিনি আসবেন। তিনি বাংলাদেশে এসে স্টেজ পারফর্ম করতে চান। নিমন্ত্রণ পেলেই আসবেন।

এর আগে আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে গান প্রকাশ করেছেন। এ গানও কি আপনার চ্যানেল থেকেই প্রকাশ হবে?

গানের কাজ আগে শেষ হোক। আমরা মুম্বাই থেকে মিউজিক ভিডিওর শুটিং করতে যাব লাদাখে। গান প্রকাশ নিয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। কাজ শেষ করে, ঢাকায় ফিরে তার পর প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেব।

 

 

 

 

 

advertisement