advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সড়কের দুই পাশে গর্ত খুড়ে ফেলে রেখেছে ঠিকাদার

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:৪৩ এএম
advertisement

খুলনার কয়রা সদরের মদিনবাদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোড় থেকে ৪ নম্বর কয়রা অভিমুখে সড়কের দুপাশে গর্ত খুড়ে প্রায় এক বছর ধরে ফেলে রেখেছে ঠিকাদার। এ কারণে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।

এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন জনগুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কের দুপাশে গর্ত খুড়ে প্রায় এক বছর ধরে ফেলে রেখেছেন ঠিকাদার। খুড়ে রাখা গর্তে পানি ও কাদা জমে বর্তমানে মরণ ফাঁদের সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় ওই সড়ক দিয়ে দীর্ঘদিন যান চলাচল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন দুটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ। সেই সঙ্গে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে ওই সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে সড়কের দুই পাশে গর্ত খুড়ে ফেলে রাখায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বৃষ্টিতে ওই গর্তে পানি ও কাদা জমে থাকায় হেঁটে চলাচাল করাও সম্ভব হচ্ছে না। অনেক সময় গর্তে পড়ে জামা-কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।

advertisement

সরেজমিন দেখা গেছে, সড়কের কয়েকটি স্থানে অল্প সংখ্যক শ্রমিক মাটি সরানোর চেষ্টা করছেন। কয়েক জায়গায় কিছু ইট বসাতেও দেখা গেছে। শ্রমিকরা জানান, কাজের সাইটে প্রয়োজনীয় মালামাল না থাকায় মূল কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। কয়রা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এসএম আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই সড়কটির কারণে কলেজগামী শিকার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটির সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় জানায়, কয়রা-মদিনবাদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোড় থেকে ৪ নম্বর কয়রা অভিমুখে সড়কটি ২০২০ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ওই সড়ক সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে মেসার্স রাকা এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা বরাদ্দের এ কাজটির মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হয়েছে।

advertisement 4

ঠিকাদার তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, কাজের মেয়াদ দুই মাস বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছি। অনুমোদন পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারব।

কাজের দায়িত্বে নিয়োজিত এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবদুল কাদের বলেন, কাজটি যথাসময়ে শেষ করতে ঠিকাদারকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পরে তার কার্যাদেশ ও জামানত বাতিলের জন্য সুপারিশ করা হয়। এ অবস্থায় ঠিকাদার কাজ শেষ করতে দুই মাসের সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।

advertisement