advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাগেরহাটে ৬৪২ পূজা মণ্ডপে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

সোহাগ হাওলাদার,বাগেরহাট
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৫৫ পিএম | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:৫৬ পিএম
ছবি: আমাদের সময়
advertisement

বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় এ বছর ৬৪২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে মণ্ডপগুলোতে চলছে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ঘুরে দেখা যায়,  সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিমা  তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাজসজ্জার কাজে নিয়োজিত ভাস্কররা। দেবী দুর্গা এ বছর গজে চড়ে আসবেন আর যাবেন নৌকায় করে।

advertisement 3

আগামী ১ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে দুর্গাপূজার এই উৎসব। পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট।

advertisement 4

বাগেরহাট জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বাগেরহাটে ৬৪২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১১০টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ২৬০টি গুরুত্বপূর্ণ ও ২৭২টি মণ্ডপকে সাধারণ হিসেবে বিবেচনা করছে পুলিশ। এসব মণ্ডপে নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য প্রতিবছরের মতো এবারও পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা কাজ করবেন।

মণ্ডপের নিরাপত্তার দায়িত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক হাজার ২০০ জন সদস্য প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কাজ করবে। অন্যদিকে এবার পূজা মণ্ডপে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের থাকা এবং খাওয়ার যাবতীয় দায়িত্ব স্ব-স্ব পূজা মণ্ডপের কমিটির নিতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাগেরহাট শহরের বাসাবটি সার্বজনীন পূজা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক উজ্জল চৌধুরী বলেন, ‘এ বছর আমাদের এখানে জমকালো পূজা আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ। এখন ঘষামাজার কাজ চলছে। পরে রং করা হবে।’

ভাস্কর উজ্জল হালদার বলেন, ‘বেশিরভাগ মাটির কাজ শেষ করেছি। এখন দেব-দেবীর মুখাবয়বের ফিনিশিং করা হচ্ছে। হোগলার চট, ছালা ও মাটি দিয়ে মা দুর্গার শাড়ি বানানো হয়েছে।’ সব মিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃস্টান ঐক্য পরিষদের বাগেরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিলন কুমার ব্যানার্জী দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, ‘বাংলাদেশ মানে এক জাতি এক দেশ। আমারা আশা করি এবার শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।’

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বাগেরহাট জেলা শাখার সভাপতি অমিত রায় বলেন, বাঙালির প্রাণের উৎসব এই দুর্গাপূজা। বিভিন্ন সময় বাঙালির শান্তি বিনষ্ট করতে একটি কুচক্রিমহল লেগে থাকে। তাদের প্রতিহত করতে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক বলেন, ‘বাগেরহাট জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা পুলিশ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতিটি মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেই সঙ্গে উদযাপন কমিটিকে প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে পূজার শেষ দিন পর্যন্ত সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’

advertisement