advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মদিনায় স্বর্ণ ও তামার খনির সন্ধান, বিপুল বিনিয়োগের আশা সৌদির

সৌদি আরব প্রতিনিধি
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:০৪ পিএম | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:০৪ পিএম
খনি আবিষ্কারের ফলে সৌদি আরবে বিনিয়োগের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে
advertisement

সৌদি আরবের পবিত্র শহর মদিনায় সোনার খনির সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি পাওয়া গেছে তামার খনিও। গত বৃহস্পতিবার সৌদি ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (এসজিএস) নতুন খনির সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।

এক বিবৃতিতে এসজিএস জানিয়েছে, মদিনার উম্ম আল-বারাক হেজাজের ঢাল আবা আল-রাহার সীমানার মধ্যে সোনার খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ওয়াদি আল-ফারা অঞ্চলের আল-মাদিক এলাকায় চারটি স্থানে পাওয়া গেছে তামার খনির সন্ধান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব নতুন খনি ৪০ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এসব খনিতে বিপুল পরিমাণে স্বর্ণ, তামা ও দস্তার মজুত রয়েছে বলে আশা করছে এসজিএস।

২০২১ সালে মোট আট বিলিয়ন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে সৌদি আরবের খনি শিল্পে
advertisement 3

চলতি বছরেই স্বর্ণ ও তামার খনিগুলো উৎপাদনে যেতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এসব খনি আবিষ্কারের ফলে সৌদি আরবে বিনিয়োগের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে এবং ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়নের পথ সহজ হবে বলে মনে করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। মদিনা অঞ্চলে অবস্থিত উম্মাল-দামার মাইনিং সাইটের লাইসেন্স পেতে ১৩টি সৌদি এবং বিদেশি কোম্পানি জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানে প্রায় ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় চার হাজার জনের কর্মসংস্থানও হবে।

advertisement 4

এ বছরের শুরুতে সৌদি ভূ-তাত্ত্বিক সমবায় সমিতি জানায়, দেশজুড়ে পাঁচ হাজার ৩০০টিরও বেশি খনি রয়েছে। এসব খনিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ধাতু ও অধাতু শিলা, রত্ন পাথর ইত্যাদি। এর প্রেক্ষিতে গত মে মাসে সৌদি আরবের শিল্প ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় খনি খাতে ৩২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করে। এরপর জুনে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান জাতীয়ভাবে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতকে অগ্রাধিকার প্রদানের ঘোষণা দেন।

গত জুলাই মাসে সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ মন্ত্রী খালিদ আল-মুদাইফার জানান, ২০২১ সালে মোট আট বিলিয়ন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে সৌদি আরবের খনি শিল্পে। এ বছরের প্রথমে দেশটি জানায়, তারা আশা করছে খনি শিল্পে ১৭০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আসবে। ২০১৮ সালে সৌদি আরব জানিয়েছিল, তাদের প্রায় ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদ রয়েছে।

advertisement