advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইউআইটিএসের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে আইনজীবীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:২৯ পিএম
advertisement

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা রাখতে হবে। গতকাল রাজধানীর নতুনবাজার ভাটারায় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেসের (ইউআইটিএস) নিজস্ব ক্যাম্পাসে আয়োজিত আইন বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে শরৎকালীন সেমিস্টার ২০২২-এর নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ, শেষবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় ও বিভাগীয় সাবেক কৃতী শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে নতুন তালিকাভুক্ত হওয়ায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

advertisement 3

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, শান্তিপূর্ণ দেশ গড়তে দক্ষ ও বিজ্ঞ আইনজীবী তৈরির লক্ষ্যে সমাজসেবায় একুশে পদকপ্রাপ্ত সমাজসংস্কারক ও শিক্ষানুরাগী সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

advertisement 4

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে ভালো মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলে তোমাদেরই সোনার বাংলা গড়তে হবে। তিনি নবীন শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

ইউআইটিএস ও পিএইচপি ফ্যামিলির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, তরুণ প্রজন্মের হাতেই নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তবে তাদের আরও উদ্যমী হতে হবে। তরুণদের স্বপ্ন দেখতে হবে; অনেক বড় স্বপ্ন এবং সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে করতে হবে অক্লান্ত পরিশ্রম। সেই পরিশ্রম করতে হবে দেশের জন্য, মানুষের জন্য। তরুণদের উদ্দেশে বলেন, জীবনে বড় হওয়ার যে তাগিদ সেটা কারও কাছ থেকে ধার করা যায় না। সেটা নিজের ভেতর থাকতে হবে। সেটাকে লালন করে, পরিচর্যা করে বড় করতে হয়। জীবনের সব বাধা-বিপত্তি মোকাবিলা করে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সৃষ্টিকর্তা সবাইকে শক্তি দিয়েছেন। কিন্তু সেই শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য একটা ধাক্কার প্রয়োজন হয়; প্রয়োজন হয় অনুপ্রেরণার, উদ্দীপনার। সেই সঙ্গে একটা পরিবেশও লাগে। সেটা নির্ভর করবে আপনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত কতটুকু পরিশ্রম করবেন, তার ওপর। আপনার মধ্যে যদি উদ্যোগ নেওয়ার শক্তি থাকে, তা হলে কোনো প্রতিবন্ধকতাই আপনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, ত্রিশ লাখ শহীদের রক্ত আর আড়াই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এ দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। তাই

দেশের কেউ যেন অভুক্ত না থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

ইউআইটিএসের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, আমার স্বপ্নÑ আমি এ দেশকে হীরার বাংলাদেশ বানাব। এ জন্য অতিপ্রাকৃতিক শক্তির প্রয়োজন নেই। দেশের মানুষের জন্য প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে কাজ করলেই যথেষ্ট। আমি বিশ্বাস করি, আমার দেশ বড় হলে আমার সন্তানরা কোনো দিন উপোস থাকবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক পরমাণু বিজ্ঞানী, থার্ড ওয়ার্ল্ড একাডেমি অব সায়েন্সের ফেলো, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ শমশের আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মো. আজমত উল্লা খান, রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক মহাব্যবস্থাপক এমএ লতিফ, শওকত হোসেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী, ইউআইটিএসের আইন অনুষদের ডিন ও আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ড. মো. আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর ও স্যার এএফ রহমান হলের সিটিং প্রভোস্ট এবং ইউআইটিএস বোর্ড অব পেলেন অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদসমূহের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভাগীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অভিভাবকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথি ও সংবর্ধিতদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

advertisement