advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমিনি হত্যার আগুনে জ্বলছে ইরান

নিহতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:১৮ এএম
advertisement

পুলিশি হেফাজতে ২২ বছরের তরুণী মাহসা আমিনি হত্যার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের শহরগুলো। রাজধানী তেহরান থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আমিনি মৃত্যুর সাত দিন পেরিয়ে গেলেও আন্দোলনকারীরা নিজেদের প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছে। এ দিনে চলমান আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। তবে নিহতের সংখ্যা নিয়ে সূত্রগুলো ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিচ্ছে। এ ছাড়া দুজন আধাসামরিক নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছে বলেও খবরে বলা হয়েছে। বিবিসি।

মাহসা আমিনি সম্প্রতি পরিবারের সঙ্গে রাজধানী তেহরান বেড়াতে গিয়েছিলেন। হিজাব না পরায় নৈতিকতাবিষয়ক পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত শুক্রবার হাসপাতালে মারা যান আমিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর আমিনিকে মারধর করা হয়েছে। আমিনির মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ইরানজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। শুধু তাই নয়, আমিনির মৃত্যুর প্রতিবাদে ইরানের বাইরেও বিক্ষোভ হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো আমিনি হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওয়তায় আনার দাবি জানিয়েছে। এদিকে চলমান আন্দোলনে বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনির প্রতি ইঙ্গিত করে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’ সেøাগান দিচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের ৭ম দিন অতিবাহিত হয়েছে। গতকাল তেহরানসহ কয়েকটি বড় শহরে বিক্ষোভ হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। আন্দোলনকারীরা রাস্তায় রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে অবস্থান করছে। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ চলমান বিক্ষোভ-সহিংসতায় ১১ জন নিহত হয়েছে। কিন্তু কুর্দিস মানবাধিকার গোষ্ঠী বলছে, শুধু ইরানের পশ্চিমাঞ্চলেই ১৫ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।

advertisement 3

আমিনির বাবা আমজাদ বিবিসি পার্সিয়ানকে গত বুধবার জানিয়েছেন, কবরস্থ করার আগে আমিনির শরীর দেখতে দেয়নি পুলিশ। তারা (পুলিশ) আমিনির মুখ দেখিয়েছে কিন্তু ঘাড়, পা বা শরীরের অন্য কোথাও দেখার অনুমতি দেয়নি। তিনি আরও বলেন, পুলিশ গ্রেপ্তারের আগে আমিনির কোনো ধরনের অসুস্থতা ছিল না। এদিকে পুলিশ দাবি করছে- হৃদযন্ত্র ক্রিয়া আকস্মিক বন্ধ হয়ে আমিনির মৃত্যু হয়েছে।

advertisement 4
advertisement