advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনা ও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে
নিয়ন্ত্রণে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০৪ এএম
advertisement

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। দেশে টানা তৃতীয় দিনের মতো গত বুধবার ২৪ ঘণ্টায় ছয়শর বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার পৌঁছেছে ১৫ শতাংশের কাছাকাছি। এর মধ্যে আরেক আতঙ্কের নাম ‘ডেঙ্গু’। দিন দিন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে কর্মকর্তাদের গাফিলতি ও মশককর্মীদের গাছাড়া মনোভাবে রাজধানীজুড়েই বাড়ছে মশার উপদ্রব।

advertisement 3

গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সমীক্ষায় রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ১২ শতাংশের বেশি বাড়িতে ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। গত মাসে দুই সিটির ৯৮টি ওয়ার্ডে পরিচালিত ওই সমীক্ষায় ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত ১১ থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার ৯৮টি ওয়ার্ডে ১১০টি সাইটের ৩ হাজার ১৫০টি বাড়ি পরিদর্শন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপ দল। এর মধ্যে ৩৯২টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। তা শতকরা ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। প্রশ্ন হচ্ছে, তা হলে কি সিটি করপোরেশন এতদিনে তাদের সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি? যদিও বলা হচ্ছে, রাজধানীতে নির্মাণকাজ বেড়ে গেছে, বিভিন্ন উন্নয়নকাজ হচ্ছে, থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় বর্ষাকালে এডিস মশার বংশ বৃদ্ধির উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এ কারণে জরিপে এই চিত্র এসেছে। নগরবাসীর অভিযোগ- শুরুর দিকে মশককর্মীরা নিয়মিত ওষুধ ছিটালেও বর্তমানে সেভাবে ছিটানো হয় না। ফলে মশার উপদ্রব আবার বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলছেন, গত বছর এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এবারও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ব্যর্থতার কারণেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছে। এ কাজে তাদের অব্যবস্থাপনা-অনিয়মের অভিযোগও অনেক পুরনো। এখন থেকে মশক নিধনে কোনো রকমের গাফিলতির কারণে যেন ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি না হয়। এডিস মশা ধ্বংস করতে হবে। মহানগরের বিভিন্ন স্থান জীবাণুমুক্ত করার পাশাপাশি মশক নিধনের কার্যক্রম যথাসময়ে পদক্ষেপ নিয়ে আরও জোরদার করা উচিত। একই সঙ্গে পাড়া-মহল্লার মানুষ ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। অন্যদিকে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আবারও সম্ভব সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি এবং ব্যক্তিপর্যায়ে এই সচেতনতা আরও বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে।

advertisement 4
advertisement