advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শেখ হাসিনার স্বপ্নের ক্রীড়াঙ্গন

ইকরামউজ্জমান
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:০৪ পিএম
advertisement

মুক্তবিশ্বে বর্তমানে কয়েকজন সরকারপ্রধান আছেন, যারা তাদের ক্রীড়াপ্রীতি এবং ক্রীড়ানুরাগী মনের জন্য নিজ নিজ দেশে জাতীয় খেলার সংস্থাগুলোর কর্মকা-ের বাইরে স্বপ্রণোদিত হয়ে নিয়মিতভাবে ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষকতা, খেলোয়াড়, ক্রীড়াবিদ এবং সংগঠকদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে ক্রীড়াচর্চাকে আরও সচল করার পাশাপাশি খেলার টেকসই মানোন্নয়নের জন্য অর্থবহ উদ্যোগ নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে অবদান রাখছেন। তাদের অন্যতম একজন হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সব সময় মনে করেন ক্রীড়াঙ্গনের জন্য কিছু করার চেষ্টা তার প্রাণের তাগিদ এবং দায়বদ্ধতা। খেলাধুলার প্রতি তার গভীর অনুরাগ, মমত্ববোধ এবং ভালোবাসা- ক্রীড়াঙ্গনের পথের ধ্রুবতারা। তিনি ক্রীড়াঙ্গনের একজন মানুষ হিসেবে দেশের সব ক্রীড়াযজ্ঞের পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন। স্বপ্নের ক্রীড়াঙ্গন তাকে সব সময় টানে।

advertisement 3

তিনি সব সময় বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন থেকে মেডেল জিততে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ থেকে শুরু করে ক্রীড়া কাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন নির্মাণ সবকিছুই সরকার করবে। প্রথমে যেটি করা দরকার, খেলাসংশ্লিষ্ট সংগঠক এবং বিশেষজ্ঞদের সম্মিলিতভাবে ঐকমত্যে উপনীত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন কোন খেলায় কোন কোন ব্যক্তিগত ইভেন্টে আমাদের সম্ভাবনা বেশি। আর এটি নির্ণয়ের সময় ব্যক্তি ও সমষ্টির স্বার্থকে দূরে রাখতে হবে। দলীয় খেলায়ও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে কার্যপদ্ধতি তৈরি করতে হবে। এর পর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে। ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ কখনো ব্যর্থ হয় না।

advertisement 4

শেখ হাসিনার ক্রীড়াপ্রীতি, ক্রীড়াঙ্গনসংশ্লিষ্ট মানুষের প্রতি দুর্বলতা, তাদের পাশে দাঁড়ানো, এদের জন্য কিছু করার আকুলতা, এই চত্বরের সান্নিধ্য উপভোগ- এসবই তার ‘জেনেটিক’। দাদা, বাবা এবং ভাইয়েরা ছিলেন মনেপ্রাণে ক্রীড়ানুরাগী। মাঠে খেলোয়াড়। মাঠের বাইরে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনকারী সংগঠক। শেখ হাসিনা নিজেও ছোটবেলায় খেলাধুলা করেছেন। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার তো একটি খাঁটি ক্রীড়ানুরাগী পরিবার। ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে শেখ হাসিনা সচেতন- এটাই স্বাভাবিক। রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ততার মধ্যে তার নিজস্ব অগ্রাধিকার তালিকায় খেলাধুলাসংশ্লিষ্ট বিষয়ের স্থান সব সময় থাকে। জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি অসাধারণ। তিনি পেরেছেন ক্রীড়াঙ্গনে অপার সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলতে। পেরেছেন আত্মবিশ্বাসের জš§ দিতে- ‘আমরা পারি’। প্রথম থেকেই খেলোয়াড় ও ক্রীড়াবিদদের মধ্যে দেশকে দেখতে চেয়েছেন। তার জন্য ক্রীড়াঙ্গনে মানুষ খুঁজে পেয়েছে নিজস্ব সত্তা, নিজস্ব পরিচিতি।

দেশের বাইরে শেখ হাসিনার ক্রীড়াপ্রীতি এবং খেলাধুলাকে ঘিরে বিশেষ দুর্বলতার খবর অনেক দেশের সরকারপ্রধানও অবগত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসারী কন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম থেকেই বলেছেন, ক্রীড়াঙ্গন পরিচালিত হবে নিবেদিত ক্রীড়া সংগঠকদের দ্বারা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে। ক্রীড়াঙ্গনে সুস্থ গণতন্ত্রের চর্চার কোনো বিকল্প নেই। যোগ্য ও নিবেদিত সংগঠকদের দ্বারা বিভিন্ন খেলা পরিচালিত হলে ক্রীড়াঙ্গন ধাপে ধাপে এগিয়ে যাবে। এই চত্বরে পরিবর্তন আসবে। ক্রীড়াঙ্গনের প্রাণ হলেন ক্রীড়া সংগঠকরা- তারা তাদের আন্তরিকতা, প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতার মাধ্যমে সবাই মিলে ক্রীড়াঙ্গন পরিচালনা করলে সমস্যা আর সংকট থাকবে না। সম্মিলিত উদ্যোগ কখনো ব্যর্থ হয় না- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় তার প্রমাণ। ক্রীড়াঙ্গনকে অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। দৃঢ়তা, স্বপ্ন বাস্তবায়নে ঐকান্তিকতা ও লক্ষ্যে স্থির থাকার নিবিষ্টতায় শেখ হাসিনা অনন্য। সচেতনতাবোধে প্রদীপ্ত তার অভিযাত্রা। তার অভিধানে সীমাবদ্ধতা আর নৈরাশ্যের কোনো স্থান নেই।

আমরা দেখছি, বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শেখ হাসিনা সব সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ক্রীড়াঙ্গন এর বাইরে নয়। ক্রীড়াঙ্গনের কোনো কিছুই তার অজানা বা নজরের বাইরে নয়। তার প্রত্যাশা স্বপ্নের ক্রীড়াঙ্গন বাস্তবে বাস্তবায়িত হোক। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। দেশের ক্রীড়াঙ্গন হোক বৈষম্যহীন- সবার। তিনি সব সময় বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে সচেতনতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ক্রীড়াঙ্গনকে বুঝতে হবে। জানতে হবে এর ইতিহাস ও সংস্কৃতি। ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশপ্রেম, জাতিসত্তা ও জাতি চরিত্র।

ক্রীড়াঙ্গনের চাহিদা আর সময় বোঝেন বলেই শেখ হাসিনা তারুণ্যের শক্তিতে বিশ্বাসী। আছে তাদের প্রতি আস্থা। সম্ভাবনাময় তারুণ্যকে চিহ্নিতকরণের মাধ্যমে কাজে লাগানোর কথা বলেন সব সময়। এদের প্রতি তার উপদেশ পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা। এখন যারা তরুণ এরাই তো ভবিষ্যতে জাতির দায়-দায়িত্ব নেবে।

আমরা লক্ষ করেছি তরুণ প্রতিভা দেশে-বিদেশে সম্ভাবনার স্বাক্ষর রাখছে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বয়সভিত্তিক নারী ফুটবল দল এএফসি টুর্নামেন্টে আঞ্চলিক পর্যায়ের খেলায়। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বয়সভিত্তিক নারী দল সাফ ফুটবলে। ২০২২ সালে নারী জাতীয় ফুটবল দল বয়সভিত্তিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ছেলেদের বয়সভিত্তিক ফুটবল ও হকি দল আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ভালো করেছে এবং সম্ভাবনার স্বাক্ষর রেখেছে। নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এসএ গেমস এবং অন্যান্য আঞ্চলিক বিভিন্ন খেলার টুর্নামেন্ট ও চ্যাম্পিয়নশিপে সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে তারুণ্য শক্তির প্রাধান্য উল্লেখ করার মতো। তারুণ্য আমাদের ক্রীড়াঙ্গনে প্রকৃত ভবিষ্যৎ।

একটি দেশের খেলাধুলার উন্নতি নির্ভর করে আর্থসামাজিক অবস্থার ওপর। দেশটা যারা পরিচালনা করেন তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর। শেখ হাসিনার সরকার ক্রীড়াবান্ধব। যখনই ক্ষমতায় এসেছে দেশের ক্রীড়াচর্চায় গৃহীত উদ্যোগে এই খাত হয়েছে বেগবান। স্বাধীন বাংলাদেশের ৫০ বছরে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিভিন্ন খেলায় সামান্য অর্জন, ঘরোয়া ক্রীড়াঙ্গনে নতুন নতুন আধুনিক ক্রীড়াকাঠামো নির্মাণ, সবার খেলার সুযোগ সৃষ্টির জন্য উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পাশাপাশি বিদেশে বিভিন্ন খেলার আন্তর্জাতিক গেমস টুর্নামেন্ট এবং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের সবচেয়ে বেশি সুযোগ মিলেছে। খেলোয়াড়দের স্বাবলম্বী এবং তাদের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন সার্ভিস দল, সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার নারী ও পুরুষ ক্রীড়াবিদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। যেটা এক সময় ভাবা যায়নি, বিশেষ করে নারী ফুটবল ক্ষেত্রে এই চত্বরে রীতিমতো বিপ্লব ঘটেছে। নারীরা বিভিন্ন খেলায় অনুপ্রাণিত এবং উৎসাহী হয়ে এগিয়ে এসেছেন। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলার মাধ্যমে তাদের বড় একটি অংশ উপার্জনশীল এবং স্বাবলম্বী হতে পেরেছে। নিয়মিত ক্রীড়াচর্চায় এসেছে শ্রেণিচরিত্রে পরিবর্তন। এ ক্ষেত্রেও বর্তমান সরকারপ্রধানের প্রত্যক্ষ অবদান আছে। ক্রীড়া ইতিহাস তুলে ধরেছে এ পর্যন্ত দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে শেখ হাসিনা যেভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, খেলাধুলার চর্চাকে গুরুত্ব দিয়েছেন আর কোনো সরকারপ্রধান এভাবে করেননি। কোনো সরকারপ্রধান সমাজে আন্ডার প্রিভিলেজ ছেলে ও মেয়েদের ক্রীড়াচর্চা, অলিম্পিকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক খেলার চত্বরে অংশগ্রহণে এগিয়ে আসেননি, যেটা শেখ হাসিনা করেছেন। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শেখ হাসিনার স্বপ্নসন্তান। দেশজুড়ে প্রাইমারি স্কুলের ছেলে ও মেয়েদের জন্য আয়োজিত এই ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রতিবছর অংশ নেয় ২০ লাখের বেশি ছাত্রছাত্রী। এশিয়া নয়, এর বাইরে কোনো দেশে এত বেশি ছোট ছোট ছেলে ও মেয়ের অংশগ্রহণে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয় না। এই ফুটবল শুরু হয়েছিল বলেই এখন বয়সভিত্তিক নারী আন্তর্জাতিক ফুটবল সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। ছেলেরাও বয়সভিত্তিক ফুটবলে ভালো করেছে। এই ফুটবল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ভার্সন অনূর্ধ্ব-১৭ শুরু করা হয়েছে। আশা করা যায়, এতে দেশের ফুটবল এবং জাতীয় ফুটবলের রঙ পাল্টাতে বেশি সময় লাগবে না।

দেশে যে কোনো আন্তর্জাতিক আসর চলাকালে শত ব্যস্ততার মধ্যে সময় করে ছুটে আসেন স্টেডিয়ামে। বিদেশেও গেছেন খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেওয়ার জন্য। আর ব্যস্ততার জন্য মাঠে আসা সম্ভব না হলে তখন কাজের ফাঁকে ফাঁকে টিভি দেখেন, খেলার ‘আপডেট’ জেনে নেন। দেশে ও দেশের বাইরে ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের বিজয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করার জন্য জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে দোলান। জয়ের পর তার দুই চোখ ভরে ওঠে আনন্দাশ্রুতে। সব সময় খেলার শেষে তিনিই প্রথম দলীয় অধিনায়ক, কোচ এবং অন্যদের অভিনন্দন জানান। কখনো ফোনে, কখনো সামনে সামনে। খেলোয়াড়দের জন্য এ শুধু উৎসাহ নয়, অনেক বড় সম্মান ও গৌরবের। কোনো সাফল্যে নয়, ব্যর্থতার সময়েও তিনি এসে দাঁড়ান অভিভাবকের স্নেহে, উপদেশ দেন ভেঙে না পড়ার।

দেশের জন্য ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড়দের অর্জনকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় আনন্দচিত্তে বড় করে দেখেন। তাদের শুধু প্রশংসা নয়, ধন্যবাদ জ্ঞাপন নয়, তাদের নগদ অর্থ, সঞ্চয়পত্র, জমি ও ফ্ল্যাট দিয়ে অনুপ্রাণিত করেন। দেশকে যারা মহিমান্বিত করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য সকাতর। নানা সময়ে প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছেন ক্রীড়াবিদ, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা কিংবা তাদের পরিবারের। গত দুটি অলিম্পিকে আইওসি অলিম্পিক উদ্বোধনের আগে ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ অবদান এবং ভূমিকা রাখার জন্য দুজন ব্যক্তিত্বকেও অলিম্পিক লরেল দিয়েছে। আইওসির এই স্বীকৃতি এবং পুরস্কারকে বিশ্বসমাজ সাধুবাদ জানিয়েছে। প্রশংসা করেছে।

খেলাধুলায় অবদানের জন্য প্রথম অলিম্পিক লরেল দেওয়া হয়েছে ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে, এর পর টোকিও ২০২০ অলিম্পিকে। আইওসির চার বছর পর পর এই পুরস্কারের জন্য যে ক্রাইটেরিয়াগুলো বিবেচনায় আনে সেটা অবগত হওয়ার পর আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্রীড়াঙ্গনে অসাধারণ অবদান এবং ভূমিকা আইওসি লরেলের জন্য বিবেচনায় না আসার কোনো কারণ থাকতে পারে না। আশা করব, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ক্রীড়া ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্মিলিতভাবে চিন্তাভাবনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে সময় হাতে রেখে।

ইকরামউজ্জমান : কলাম লেখক ও বিশ্লেষক

advertisement