advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ময়মনসিংহে নারীসহ দুই হত্যায় গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:৩৩ পিএম
advertisement

ময়মনসিংহে পৃথক দুটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকা-ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানাপুলিশ। তারা হলেন- বাবুল, হৃদয় ও খোকন। এর মধ্যে হৃদয় একটি হত্যাকা-ের দায় স্বীকার করেছে। গতকাল দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানায় এক ব্রিফিংয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কোতোয়ালি সার্কেল) শাহীনুল ইসলাম ফকির এ তথ্য জানান।

advertisement

তথ্যমতে, ২৩ সেপ্টেম্বর ভোরে নগরীর আকুয়া জুবিলি কোয়ার্টার এলাকায় সাথী আক্তার নামে এক নারীর লাশ ভাড়া বাসা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। নগরীতে নিজ ঘরে নারী হত্যাকা-কে অধিক গুরুত্ব দিয়ে পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা দ্রুততম সময়ে রহস্য উদ্ঘাটন ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে কঠোর নির্দেশনা দেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীনুল ইসলাম ফকিরের তত্ত্বাবধানে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে পুলিশের সদরের চুরখাই ও কেওয়াটখালী এলাকা থেকে শনিবার রাতে হত্যাকা-ে জড়িত বাবুল ও হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে। পরে হৃদয়কে নিয়ে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে যায়। তার তথ্যে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত একটি রক্তমাখা স্টিলের ছোরা উদ্ধার করে।

advertisement 4

এদিকে নগরীর বলাশপুর হাক্কানী মোড়ে ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল ও সিএনজির সঙ্গে ধাক্কা লাগার ঘটনা কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে সিএনজি ড্রাইভার তাপস চন্দ্র সরকারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ হত্যার ঘটনায় খোকন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার তথ্যে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত আলামত (ছোরা) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, ডিভোর্সী নারী সাথী আক্তার তার এক সন্তান নিয়ে আকুয়া জুবিলি কোয়ার্টার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। স্থানীয় আকুয়া মড়লপাড়ার হৃদয় তাকে উত্ত্যক্ত করত।

এ ঘটনায় শালিস পর্যন্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, শালিসের কারণে হৃদয় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। হত্যাকা-ের প্রকৃত কারণ এবং জড়িত অন্যদের নাম-ঠিকানাসহ তদন্তে আরও অনেক তথ্য প্রকাশ পাবে। এ ছাড়া সিএনজি অটোরিকশাচালক তাপস হত্যায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

advertisement