advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নিউইয়র্কে ইমিগ্র্যান্ট ডে অ্যান্ড ট্রেড ফেয়ার অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৩৪ পিএম | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৪০ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে অ্যান্ড ট্রেড ফেয়ার ২০২২ অনুষ্ঠিত। ছবি: আমাদের সময়
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ম্যারিয়ট মার্কুইজে অনুষ্ঠিত হলো তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে অ্যান্ড ট্রেড ফেয়ার ২০২২। উক্ত অনুষ্ঠানে ‘লিগ্যাল রেমিট্যান্স ফ্লো: কিপিং বাংলাদেশ ইকোনোমি স্ট্যাবল’ শীর্ষক কনফারেন্সে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশীদের জন্য এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো যা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে সহায়ক হবে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘ ৫০ বছরের সু-সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় এই আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

advertisement

বিশেষ অতিথি ও কী-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী।

advertisement 4

তিনি জানান, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের ফরেন রিজার্ভ বৃদ্ধির সঙ্গে বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন ও টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। আর চলমান ডলার সংকটে তো এর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি প্রবাসীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জনে গুরুত্বারোপ করে বলেন দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ অধিক উপার্জনে সহায়ক। একই সঙ্গে রেমিট্যান্স প্রদানে খরচ কমানো, প্রয়োজনীয় সংখ্যক রেমিট্যান্স প্রদান কেন্দ্র স্থাপনে আলোচনা করেন এবং বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রদানে প্রবাসীদের উৎসাহ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট জনাব মো. জসিম উদ্দিন ও বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার ওয়াশিংটন ডিসি ১৯৭১ এর কো ফাউন্ডার ড. ডেভিড নালিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে অ্যান্ড ট্রেড ফেয়ার ২০২২ এর কনভেনার ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং সিইও জনাব বিশ্বজিত সাহা। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই আয়োজন দুই দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সম্প্রসারণে দেশে বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে এবং আয়োজনের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

advertisement