advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জুমার নামাজে সুন্নত নফলের সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক
১৮ নভেম্বর ২০২২ ০৮:২৬ এএম | আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০২২ ০৮:২৬ এএম
পুরোনো ছবি
advertisement

জুমার দিনের মর্যাদা ও সম্মান সপ্তাহের অন্য দিনের চেয়ে বেশি। এই দিনকে আল্লাহ তাআলা সব দিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। কোরআন ও হাদিসে এই দিনের বিশেষ সম্মান ও মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে।

আল্লাহর রাসুল (সা.) একটি হাদিসে বলেছেন, মুমিনের জন্য জুমার দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন।(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১০৯৮)

advertisement

এক হাদিসে নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে দিনগুলোতে সূর্য উদিত হয়, ওই দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। ওই দিন হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে। ওই দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ওই দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর ওই দিনই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। (মুসলিম, হাদিস : ৮৫৪)

advertisement 4

মহানবী (সা.) আরও বলেন, জুমার দিন দোয়া কবুল হওয়ার একটি সময় আছে , কোনো মুসলিম যদি সেই সময়টা পায়, আর তখন যদি সে নামাজে থাকে, তাহলে তার যেকোনো কল্যাণ কামনা আল্লাহ পূরণ করেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৪০০)

জুমার দিন নির্দিষ্ট সময়ে জুমার নামাজ পড়তে হয়। এই সময়ের মধ্যে ইমাম ছাড়া আরও তিনজন মুসল্লি উপস্থিত থাকতে হয়। একাকী জুমার নামাজ আদায় করা যায় না। নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে জুমার পরিবর্তে জোহর পড়তে হয়। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী জুমার  দুই রাকাত জুমার ফরজ নামাজ পড়তে হয়। তবে ফরজের আগে ৪ রাকাত ও ফরজের পরে ৪ রাকাত সুন্নতও রয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ১০ রাকাত।

তবে এই ১০ রাকাতের বাইরে কেউ চাইলে জোহরের মতো এসময় অতিরিক্ত নফল নামাজ আদায় করতে পারে। তবে এসব নফল নামাজ জুমার অংশ হিসেবে পড়া হয় না এবং তা আবশ্যকীয়ও নয় বরং ব্যক্তি তা স্বেচ্ছায় করতে পারে এবং না করলে তার দোষ হয় না।

advertisement